Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

টাকা ছাড়া স্বাক্ষর করেন না ভূমি কর্মকর্তা

আপডেটঃ 6:15 pm | November 06, 2018

বাহাদুর ডেস্ক

মাদারগঞ্জের গুনারীতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তার প্রতি স্বাক্ষরের মূল্য ৫০০ থেকে হাজার টাকা। কর্মকর্তাকে উৎকোচ না দিলে খারিজ সম্পাদন হয় না। ভূমি অফিসের সেবাপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন ওই কর্মকর্তা- এমনটাই অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। নামজারির আবেদনকারীদের কাগজপত্রে নানা সমস্যা ও ভুলভ্রান্তি দেখিয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সেবাপ্রার্থীরা।

এ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগদানের পরপরই সেবাপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহণসহ নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন এ কর্মকর্তা। প্রতিকার চেয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত এসিল্যান্ডের কাছে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। জোনাইল নয়াপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক গোলাপ উদ্দিন নামজারির জন্য গত ৫ এপ্রিল বিমল চন্দ্রকে চব্বিশ হাজার টাকা দিলেও নামজারি করতে গড়িমসি করতে থাকেন ভূমি কর্মকর্তা। বিষয়টি নিয়ে ভারপ্রাপ্ত এসিল্যান্ড আমিনুল ইসলাম বরাবর প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ পেশ করেন ভুক্তভোগী। এসিল্যান্ড লিখিত অভিযোগ পেয়ে ভূমি কর্মকর্তা বিমলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন গত ২০ সেপ্টেম্বর।

গোলাপ উদ্দিনের লিখিত অভিযোগপত্র থেকে মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে ফোন করলে আশরাফ আলী নামে এক ব্যক্তি ফোন রিসিভ করে বলেন, বিষয়টি মীমাংসা হয়ে গেছে। প্রদানকৃত অর্থ ফেরত পেয়েছেন ওই ব্যক্তি।

গুনারীতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে টাকা না দিলে খারিজের জন্য আবেদন করে মাসের পর মাস অফিসে ঘোরাঘুরি করে হয়রানির শিকার হতে হয়।

এ ব্যাপারে বিমল চন্দ্র বলেন, আমি কোনো উৎকোচ নিই না। ফোনে সব কথা বলা যাবে না। সরাসরি দেখা করুন।

ভারপ্রাপ্ত এসিল্যান্ড ও ইউএনও আমিনুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে কয়েকবার মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। সম্প্রতি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিক তদন্ত শুরু করেছিলাম। পরে জানতে পারলাম, অভিযোগকারীর সঙ্গে ওই নায়েবের আপস হয়েছে। গুনারীতলা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা বিমল চন্দ্রকে অনেকবার সতর্ক করা হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email