Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

ব্রেকিং নিউজঃ

আসছে বিদেশি বিনিয়োগ

আপডেটঃ 12:30 pm | February 06, 2019

বাহাদুর ডেস্ক :

অনেকদিন স্থিরতার বৃত্তে স্থির থাকার পর আবার যেন নড়েচড়ে উঠেছে বিদেশি বিনিয়োগ। দেশের ভেতরে গড়ে তোলা হয়েছে অর্থনৈতিক অঞ্চল। আর এ অঞ্চল গড়ে ওঠার পর ব্যাপকভাবে বেড়েছে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ।

জাপান, চীন, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ইতোমধ্যেই ৫ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এসব বিনিয়োগ দিয়ে মূলত ইস্পাত, বিদ্যুৎ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, গার্মেন্ট অ্যাকসেসরিজ, ইমারত সরঞ্জাম, রং ও পেট্রো কেমিক্যাল পণ্যের কারখানা গড়ে তোলা হবে। অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যটি দেশ ও জাতির জন্য শুভ। শুভ হওয়ার প্রশ্নে সর্বাগ্রে বলতে হয়, এ দেশের ১৩ হাজার বেকারের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে; যা এ মুহূর্তে ২ লাখ বেকারের একটি অংশের হাতে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে।

সূত্রমতে, বিদেশি ১২টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৫ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পাওয়া গেছে। এসব বিনিয়োগ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়ার পাশাপাশি জমি বরাদ্দের ইজারা চুক্তি হয়েছে। এরই মধ্যে বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের অনেকেই ভূমিসহ অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি আরো ৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পাইপলাইনে রয়েছে।

এখানে একটি কথা না বললেই নয় যে, বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই দেশের সার্বিক উন্নয়নের বার্তা বিশ্বদরবারে উন্মোচন করতে সমর্থ হয়েছে। আমরা এখন বেশ কিছু নিত্যপণ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছি। বিশেষ করে কৃষিপণ্য উৎপাদন এবং নারীদের মানবিক উন্নয়ন অনেকের কাছে আজ ঈর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। এ ধারাকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে শিল্প উৎপাদনের ক্ষেত্রে আরো গতিশীল হওয়ার বিষয়টি আজ বিশেষভাবে প্রয়োজন। আর সে বিবেচনায় ইতিবাচক চিন্তার ফলাফলে সরকারের এ আয়োজন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নতুন সরকার নব উদ্যমে এ কার্যক্রমকে দ্রুত এগিয়ে নিতে সক্ষম হবে বলেই আমাদের বিশ্বাস। তবে ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলেই ভয় পায়। আমরাও সে রকম একটি আতঙ্ক তাড়িত জনগোষ্ঠী। দুর্নীতিই হচ্ছে সেই আতঙ্কের অন্যতম প্রধান কারণ। যদিও প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির প্রশ্নে জিরো টলারেন্সের কথা ঘোষণা করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর ওপর আমাদের আস্থা কম নয়। তিনি ইতোমধ্যেই তার কর্ম দিয়ে সে আস্থা অর্জন করেছেন। এ ক্ষেত্রেও তার সফলতার ব্যত্যয় ঘটবে না বলেই আমাদের বিশ্বাস। আমরা মনে করি, দুর্নীতিকে পরাভূত করে এ দেশে এক দিন শিল্প বিপ্লব ঘটবে এবং বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ এক দিন উন্নত বিশ্বের পাশে গিয়ে দাঁড়াতে সক্ষম হবে—এটাই আমাদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা।

//টি.কে/নাইন//

Print Friendly, PDF & Email