Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

ব্রেকিং নিউজঃ

বিদ্রোহীর ছড়াছড়ি আ’লীগে বিএনপির ৩৮ ‘প্রার্থী’

আপডেটঃ 4:04 pm | February 19, 2019

বাহাদুর ডেস্ক  :

দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমাদান শেষ হয়েছে। গতকাল সোমবার জমাদানের শেষ দিন পর্যন্ত ১২৪টি উপজেলায় মোট ৪৮৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। যার মধ্যে ১২৯ জন আওয়ামী লীগ মনোনীত এবং ১৪৬ জন বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। অর্থাৎ অনেক জায়গাতেই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি দেখা গেছে। এসব উপজেলায় ক্ষমতাসীন দলের গলার কাঁটা হয়েছেন দলের এসব বিদ্রোহী প্রার্থীই, যারা ‘স্বতন্ত্র’ হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন।

এদিকে, বিএনপি উপজেলা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলেও দলটি থেকে ৩৮ জন ‘স্বতন্ত্র’ প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। অন্য কয়েকটি দল থেকেও অল্পসংখ্যক প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীও হয়েছেন অনেকে। এ ছাড়া দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদের মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ সময়ও গতকাল শেষ হয়েছে। এদিন পর্যন্ত এ দুটি পদেও সহস্রাধিক প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠেয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ভোট গ্রহণ হবে আগামী ১৮ মার্চ। দেশের পাঁচ বিভাগের ১৬টি জেলার এসব উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গতকাল ছিল মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ দিন ২০ ফেব্রুয়ারি এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৭ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত রয়েছে।

এদিকে, মনোনয়নপত্র জমাদানকে ঘিরে গতকাল ওই সব উপজেলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছিল। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা মিছিল ও উচ্ছ্বাসসহকারে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তবে কোথাও কোথাও প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘন ও মোটর শোভাযাত্রা করে মনোনয়ন জমা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

সিলেট ব্যুরো জানায়, সিলেট জেলার ১২ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ১২ প্রার্থীর সঙ্গে বিদ্রোহী হয়েছেন ২১ জন এবং বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১৩ জনসহ ৫৬ প্রার্থী তাদের মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। গতকাল সোমবার মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন। সিলেট সদর উপজেলায় পাঁচ প্রার্থীর

মধ্যে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী আশফাক আহমদ ছাড়াও বিদ্রোহী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন অ্যাডভোকেট নূরে আলম সিরাজী। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিএনপির মনোনয়ন জমা দেন শাহ জামাল নুরুল হুদা ও মাজহারুল ইসলাম ডালিম। এ ছাড়া শাহজাহান মিরাজী নামের আরেকজন জমা দিয়েছেন।

দক্ষিণ সুরমায় তিনজনের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু জাহিদ ছাড়াও বিদ্রোহী হিসেবে জমা দেন ময়নুল ইসলাম। বিএনপির দিয়েছেন জিল্লুর রহমান সুয়েব। গোয়াইনঘাটে পাঁচজনের মধ্যে আওয়ামী লীগের গোলাম কিবরিয়া হেলাল, বিদ্রোহী প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমদ ও গোলাপ মিয়া, বিএনপির শাহ আলম স্বপন ও লুতফুল হক খোকন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

কোম্পানীগঞ্জে বিএনপির কোনো প্রার্থী নেই। এ উপজেলায় নয়জনের মধ্যে আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলম, বিদ্রোহী আপ্তাব আলী কালা মিয়া, শামীম আহমদ ও তার স্ত্রী জরিমা বেগম, ইয়াকুব আলী, সামসুল ইসলাম এবং বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল বাছিত ও ইকবাল হোসেন রয়েছেন। এ ছাড়া প্রবাসী হাফিজ মাসুম মনোনয়ন জমা দেন।

কানাইঘাটে বিএনপির কোনো প্রার্থী নেই। চারজনের মধ্যে আওয়ামী লীগের আবদুল মোমিন চৌধুরী ছাড়াও দলের বিদ্রোহী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ পলাশ, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা আবুল খয়ের চৌধুরী ও স্বতন্ত্র এহসানুল হক।

জৈন্তাপুরে বিএনপির কোনো প্রার্থী না থাকলেও আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী লিয়াকত আলীর সঙ্গে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন দলের কামাল আহমদ। ফেঞ্চুগঞ্জে ছয়জনের মধ্যে আওয়ামী লীগের সাংবাদিক মুজিবুর রহমান জকনের সঙ্গে বিদ্রোহী হিসেবে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, বিএনপির অহিদুজ্জামান সুফি, প্রবাসী বিএনপি নেতা হারুন আহমদ চৌধুরী, আঞ্জুমানে আল ইসলাহর মাওলানা হারুনুর রশিদ ও প্রবাসী মনির আলী নানু মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। জকিগঞ্জে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী লোকমান আহমদ চৌধুরী, জাতীয় পার্টির মর্তুজা আহমদ চৌধুরী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শরফ উদ্দিন চৌধুরী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

বালাগঞ্জে তিনজনের মধ্যে আওয়ামী লীগের মোস্তাক আহমদ মফুর, বিএনপির বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আবদাল মিয়া ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সহসভাপতি গোলাম রব্বানী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। বিশ্বনাথে সাতজনের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এস এম নুনু মিয়া আওয়ামী লীগ থেকে এককভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিএনপির সুহেল আহমদ চৌধুরী, জালাল উদ্দিন ও যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা মিছবাহ উদ্দিন, আঞ্জুমানে আল ইসলাহর ফয়জুল ইসলাম, ইসলামী ঐক্যজোট নেতা কাজী মাওলানা রুহুল আমীন এবং প্রবাসী শামছুল ইসলাম মনোনয়ন জমা দেন।

বিয়ানীবাজারে ছয়জনের মধ্যে আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান খান, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী শামীম আহমদ, জাকির হোসেন, আবুল কাশেম পল্লব এবং জাতীয় পার্টির আলকাছ আলী ও আবুল হাসনাত মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এ ছাড়া গোলাপগঞ্জে তিনজনের মধ্যে আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরীর সঙ্গে বিদ্রোহী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আবদুল ওহাব জোয়ারদার। বিএনপির জমা দিয়েছেন মাওলানা রশিদ আহমদ।

রংপুর অফিস জানায়, জেলার ছয়টি উপজেলায় ১৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয়জন ছাড়াও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন দু’জন। এ ছাড়া জাতীয় পার্টি ও বিএনপি থেকে দু’জন করে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। অন্যান্য দলসহ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন আরও চারজন। এই ছয় উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩৫ ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

গঙ্গাচড়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত রুহুল আমিন ছাড়াও বিএনপি থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন মোকাররম হোসেন সুজন। এ ছাড়া বদরগঞ্জে আওয়ামী লীগ থেকে বর্তমান চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী সুইট, স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি) বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান সাইদুল ইসলাম ও জাকের পার্টির আবুল কালাম আজাদ; তারাগঞ্জে আওয়ামী লীগ থেকে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান ও স্বতন্ত্র (জাতীয় পার্টি) প্রার্থী কুর্শা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহীনুর ইসলাম মার্শাল; পীরগাছায় আওয়ামী লীগের আবদুল্লাহ আল মাহমুদ মিলন ও জাতীয় পার্টির শাহ্‌ মাহবুবার রহমান; কাউনিয়ায় আওয়ামী লীগের আনোয়ারুল ইসলাম মায়া ও জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট শাহীন সরকার এবং পীরগঞ্জে আওয়ামী লীগের বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মণ্ডল, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মোকাররম হোসেন চৌধুরী জাহাঙ্গীর ও আনোয়ার হোসেন, জাতীয় পার্টির নুরে আলম যাদু মিয়া এবং এনপিপির মাহবুবার রহমান প্রার্থী হয়েছেন।

বগুড়া ব্যুরো জানায়, বগুড়া জেলার ১২টি উপজেলার মধ্যে আদমদীঘিতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম খান রাজু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হতে যাচ্ছেন। অন্য ১১টির মধ্যে পাঁচটিতে ক্ষমতাসীন দলের বিদ্রোহীরা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। এ ছাড়া ওই ১১টি উপজেলাতেই বিএনপি নেতারাও প্রার্থী হয়েছেন।

এসব উপজেলার চেয়ারম্যান পদে যারা প্রার্থী হয়েছেন, তাদের নাম নিচে দেওয়া হলো :

সারিয়াকান্দি :মুনজিল আলী সরকার (আ’লীগ), আব্দুস সালাম (বিদ্রোহী আ’লীগ), শাজাহান আলী (বিদ্রোহী আ’লীগ), মাসুদুর রহমান হিরু মণ্ডল (বিএনপি), অ্যাডভোকেট নূরে আযম বাবু (বিএনপি), টিপু সুলতান (স্বতন্ত্র), প্রভাষক নজরুল ইসলাম (জামায়াত), এনামুল হক (স্বতন্ত্র) ও মিনহাজ উদ্দিন (স্বতন্ত্র)।

সোনাতলা :মিনহাদুজ্জামান লিটন (আ’লীগ) ও জিয়াউল হক লিপ্পন (বিএনপি)।

শিবগঞ্জ :আজিজুল হক (আ’লীগ), বিউটি বেগম (বিএনপি) ও ফিরোজ আহম্মেদ রিজু (স্বতন্ত্র)।

দুপচাঁচিয়া :মিজানুর রহমান খান সেলিম (আ’লীগ), ফজলুল হক (বিদ্রোহী আ’লীগ), আব্দুস সামাদ (বিদ্রোহী আ’লীগ), নুরুল ইসলাম খান হিরো (বিএনপি), কল্যাণ প্রসাদ পোদ্দার (স্বতন্ত্র) ও আব্দুল হাই মণ্ডল (স্বতন্ত্র)।

নন্দীগ্রাম :রেজাউল আশরাফ জিন্না (আ’লীগ), আজিজার রহমান (বিদ্রোহী আ’লীগ), অ্যাডভোকেট এ রাফি পান্না (বিএনপি), আহসান বিপ্লব রহিম (বিএনপি), আলেকজান্ডার (বিএনপি), মাহফুজুর রহমান (বিএনপি) ও কামরুজ্জামান কামরুল (জাসদ)।

কাহালু :আব্দুল মান্নান (আ’লীগ), আল হাসিবুল হাসান সুরুজ (বিদ্রোহী আ’লীগ), ফরিদুর রহমান ফরিদ (বিএনপি) ও হুমায়ুন কবির খোকা (বিএনপি)।

শেরপুর :মজিবর রহমান মজনু (আ’লীগ), জানে আলম খোকা (বিএনপি) ও আব্দুন নূর (এনপিপি)।

ধুনট :আব্দুল হাই খোকন (আ’লীগ), মাসুদুল হক বাচ্চু (বিদ্রোহী আ’লীগ), আলিমুদ্দিন হারুন (বিএনপি), আকতার আলম সেলিম (বিএনপি), পাভেল আহম্মেদ (জাপা) ও জিয়াউল আলম শাহীন (স্বতন্ত্র)।

বগুড়া সদর :আবু সুফিয়ান শফিক (আ’লীগ), মাফতুন আহমেদ খান রুবেল (বিএনপি) ও সাব্বিরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)।

গাবতলী :রফি নেওয়াজ খান রবিন (আ’লীগ), একিউএম ডিসেন্স সুমন (বিএনপি), শফিকুল ইসলাম ভোদন (বিএনপি) ও এহসানুল বাশার (বিএনপি)।

শাজাহানপুর :সোহরাব হোসেন ছান্নু (আ’লীগ), আবুল বাশার (বিএনপি), ইউনুস আলী (বিএনপি), এনামুল হক শাহীন (বিএনপি), সাইদুল হাসান ইসলামী (ঐক্যজোট), পলাশী খাতুন (স্বতন্ত্র) ও আছির উদ্দিন (স্বতন্ত্র)।

ফরিদপুর অফিস জানায়, ফরিদপুরের নয়টি উপজেলায় মোট ৪০ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ৯ প্রার্থী ছাড়াও দলটি থেকে ১৪ জন বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। বিএনপি থেকে একজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে আরও ১৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

ফরিদপুর সদর উপজেলায় একক প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ মনোনীত সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। একক প্রার্থী থাকায় তার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

আলফাডাঙ্গায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী দলের উপজেলা সভাপতি এস এম আকরাম হোসেনের বিরুদ্ধে পাঁচ বিদ্রোহী প্রার্থী হচ্ছেন দলের উপজেলা সহসভাপতি আকরুমুজ্জামান শেখ, জেলা নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম জালালউদ্দিন, উপজেলা সাবেক সাধারণ সম্পাদক খান বেলায়েত হোসেন, বানা ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি কাজী হারুন অর রশিদ এবং উপজেলা যুবলীগের সাবেক নির্বাহী কমিটির সদস্য এ কে এম জাহিদুল হাসান। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন শেখ আব্দুর রহমান জিকো, আলম খান ও ইব্রাহিম মোল্লা।

ভাঙ্গায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাকির হোসেন মিয়ার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান সাহাদাত হোসেন, ফরিদপুর জেলা সহ-সভাপতি কাজী হেদায়েত উল্লাহ সাকলাইন এবং সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও দলের উপজেলা কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ব্যবসায়ী এস এম হাবিবুর রহমান আল হাবিব।

সদরপুরে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শায়েদীদ গামাল লিপুর বিপরীতে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন দলের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমান এবং জেলা কমিটির উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আনিসুর রহমান খান। নগরকান্দায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী দলের জেলা কমিটির সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুজ্জমান সরদারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক কাজী শাহ জামান বাবুল, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য তালুকদার নাজমুল ইসলাম এবং জাকের পার্টির খাইরুজ্জামান টিটু প্রার্থী হয়েছেন।

সালথায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, গট্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ মাতুব্বর, জাকের পার্টির উপজেলা সভাপতি ছরোয়ার হোসেন বাচ্চু মিয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সৈয়দ মাহতাব হাবীব মিল্টন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

এ ছাড়া বোয়ালমারীতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী দলের উপজেলা সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান এমএম মোশাররফ হোসেন এবং বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা যুবলীগের সদস্য লিটন মৃধা; মধুখালীতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী দলের উপজেলা সভাপতি মির্জা মনিরুজ্জামান বাচ্চু ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মুনসুর নান্নু এবং চরভদ্রাসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মো. কাউসার, বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার আলী মোল্লা, উপজেলা বিএনপি সভাপতি মোতাজ্জেল হোসেন মৃধা, উপজেলা জাকের পার্টির সভাপতি রাজা খান, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বর্তমান চেয়ারম্যান এ জি এম বাদল আমীন, সদর ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস ছাত্তার, আবুল বাসার, খবিরউদ্দীন শেখ, মো. ইলিয়াস বেগ ও মোশারফ হোসেন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

পাবনা অফিস জানায়, পাবনা জেলার ৯টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩৪ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ৯ জন এবং দলের বিদ্রোহী প্রার্থী ১৪ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিএনপি থেকে ৩ জন এবং জামায়াতের ১ জন প্রার্থী হয়েছেন। এছাড়া অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র হিসেবে আরও ৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন।

চেয়ারম্যান পদে যারা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন তারা হলেন- পাবনা সদর উপজেলা :মোশারোফ হোসেন (আওয়ামী লীগ)।

ঈশ্বরদী :নুরুজ্জামান বিশ্বাস (আওয়ামী লীগ), মোকলেছুর রহমান মিন্টু (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), আতিয়ার রহমান (বিএনপি), মোস্তাফিজুর রহমান (স্বতন্ত্র্প) ও সাইফুল আজাদ বিপ্লব মল্লিক (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)।

সাঁথিয়া :আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ দেলোয়ার (আওয়ামী লীগ) ও আবু তালেব প্রামানিক (স্বতন্ত্র, জামায়াত)।

ভাঙ্গুড়া :বাকি বিল্লাহ (আওয়ামী লীগ), আমির হোসেন (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), অধ্যক্ষ সাইদুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), মেছবাউর রহমান রোজ (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), মোস্তাফিজুর রহমান (জাপা) ও মনসুর রহমান (এনপিপি)।

চাটমোহর :অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন সাখো (আওয়ামী লীগ), আব্দুল হামিদ মাস্টার (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), মির্জা আবু হায়াত মো. কামাল জুয়েল (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী), আব্দুল আলিম (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)।

সুজানগর :শাহিনুজ্জামান শাহিন (আওয়ামী লীগ), মোহাম্মদ স্বপন মিয়া (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) ও হাবিবুর রহমান (স্বতন্ত্র)।

ফরিদপুর :খলিলুর রহমান সরকার (আওয়ামী লীগ), জহুরুল ইসলাম বকুল (বিএনপি), আব্দুল হাকিম খান (বিএনপি), গোলাম হোসেন গোলাপ (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী)।

আটঘরিয়া :মোবারক হোসেন পান্না (আওয়ামী লীগ), ইশারত আলী (স্বতন্ত্র, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান), কামাল হোসেন (স্বতন্ত্র)।

বেড়া :আব্দুল কাদের (আওয়ামী লীগ), আফজাল হোসেন (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) ও আব্দুল আহাদ (জাপা)।

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি জানান, জেলার ৭টি উপজেলার চেয়ারম্যান পদে মোট ২৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এখানে বিএনপি-জামায়াতের কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেননি। তবে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ৬ উপজেলায় ১১ জন বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা করে ‘স্বতন্ত্র’ হিসেবে তারাও মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। অর্থাৎ ওই ছয় উপজেলায় ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের জন্য গলার কাঁটা হয়েছেন নিজ দলের বিদ্রোহী
প্রার্থীরাই।

বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম শুধু মৌলভীবাজার সদর উপজেলায়। এখানে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী দলের মৌলভীবাজার জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন একক প্রার্থী। তার বিপরীতে দলীয় কিংবা অন্য কোনো দলের কেউ প্রার্থী না হওয়ায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে রয়েছেন।

অন্যদিকে রাজনগরে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আছকির খানের বিপরীতে দলটির তিনজন বিদ্রোহী প্রার্থীসহ মোট ছয় প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিদ্রোহী তিনজন হচ্ছেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের মিজবাদ্দৌজা ভেলাই, সদস্য সাতির মিয়া ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান খান। এ ছাড়া যুব ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আবদুল মতিন চৌধুরী ও জাসদ নেতা নূরে আলম জিকু প্রার্থী হয়েছেন।

কুলাউড়ায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী আ স ম কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফি আহমদ সলমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নবাব আলী নকী খান ও মহিউদ্দিন। জুড়ীতে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ প্রার্থী গুলশান আরা চৌধুরী মিলির বিপরীতে তার দেবর আওয়ামী লীগ নেতা এম এ মুহিদ ফারুক ও আওয়ামী লীগ নেতা কিশোর রায় চৌধুরী মনি বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। বড়লেখায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী রফিকুল ইসলাম সুন্দরের বিরুদ্ধে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সিরাজ উদ্দিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বন ও পরিবেশমন্ত্রীর ভাগ্নে সুয়েব আহমদ প্রার্থী হয়েছেন। কমলগঞ্জে আওয়ামী লীগ প্রার্থী অধ্যাপক রফিকুল রহমানের বিরুদ্ধে সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদের ছোট ভাই আওয়ামী লীগ নেতা ইমতিয়াজ আহমদ বুলবুল ও আব্দুল গফুর বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। এ ছাড়া ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদ মিনার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

শ্রীমঙ্গলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী রণধীর কুমার দেবের বিরুদ্ধে উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতি আফজল হক বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। এখানে জাকের পার্টির নেতা আব্দুল কাইয়ুম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

দিনাজপুর প্রতিনিধি জানান, দিনাজপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর হিড়িক পড়েছে। জেলার ১৩টি উপজেলায় ১৩ জন আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিপরীতে ১৬ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। বিএনপি নির্বাচনে না আসার ঘোষণা দিলেও দলটি থেকে চার নেতা ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এ ছাড়া অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠেয় এসব উপজেলা নির্বাচনে মোট ৪৮ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন।

দিনাজপুরের সদর উপজেলায় মনোনয়ন দাখিল করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী দলের উপজেলা সভাপতি এমদাদ সরকার, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিএনপি নেতা মোকাররম হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মকবুল হোসেন। বীরগঞ্জে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আমিনুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আখতারুল ইসলাম চৌধুরী বাবুল ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান দীনেশ চন্দ্র মহন্ত এবং বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজওয়ানুল ইসলাম রিজু ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জাতীয় পার্টির নেতা আব্দুল মান্নান প্রার্থী হয়েছেন।

এ ছাড়া ঘোড়াঘাটে আওয়ামী লীগ প্রার্থী দলের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাফে খন্দকার শাহানশাহ ও বিদ্রোহী আওয়ামী লীগের সদস্য সাবেক চেয়ারম্যান কাজী শুভ রহমান চৌধুরী; ফুলবাড়ীতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী দলের উপজেলা
সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান মিল্টন, ওয়ার্কার্স পার্টির শফিকুল ইসলাম শিকদার ও স্বতন্ত্র সুদর্শন পালিত; বোচাগঞ্জে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আফসার আলী, বিদ্রোহী প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ফরহাদ হাসান চৌধুরী ঈগলু, জাতীয় পার্টির নেতা জুলফিকার হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জুলফিকার আলী ভুট্টু; হাকিমপুরে আওয়ামী লীগ প্রার্থী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন-উর রশিদ ও বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয়
কৃষক লীগ নেতা কামাল হোসেন রাজ; পার্বতীপুরে আওয়ামী লীগ প্রার্থী উপজেলা সভাপতি হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক, বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আকতার হোসেন ও জাতীয় পার্টির কাজী আব্দুল গফুর;
বিরামপুরে আওয়ামী লীগ প্রার্থী পারভেজ কবীর, বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খাইরুল আলম রাজু, স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মিঞা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন ও ব্যবসায়ী মতিয়ার রহমান;
বিরলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিএনপি নেতা বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আ ন ম বজলুর রশিদ, জাতীয় পার্টি থেকে অ্যাডভোকেট সুধীর
চন্দ্র শীল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোকাররম হোসেন মোকা; কাহারোলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি একেএম ফারুক, বিদ্রোহী প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা গোপেশ চন্দ্র রায়, আব্দুল মালেক সরকার, আরমান সরকার ও ডা. আব্দুল করিম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ চৌধুরী; খানসামায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সফিউল আযম চৌধুরী লায়ন, বিদ্রোহী প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা আবু হাতেম, সদ্য আওয়ামী লীগে যোগদানকারী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান শহীদুজ্জামান শাহ ও জাতীয় পার্টির মোনাজাত চৌধুরী; নবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগ প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আতাউর রহমান, বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান ও সাধারণ সদস্য নিজামুল হাসান শিবির, জাতীয় পার্টির ফিরোজ সুলতান আলম ও বিকল্পধারার শাহ আলম এবং চিরিরবন্দরে আওয়ামী লীগ প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসানুল ইসলাম মুকুল ও বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগ নেতা তারিকুল ইসলাম তারিক চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন।

বান্দরবান প্রতিনিধি জানান, জেলার ৭টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের সাতজন ছাড়াও দলটি থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন ছয়জন। এ ছাড়া বিএনপি থেকে তিনজন এবং অন্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আরও চার প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

বান্দরবান সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এ কে এম জাহাঙ্গীর এবং বর্তমান চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল কুদ্দুস মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। রোয়াংছড়িতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও দলের উপজেলা সহ-সভাপতি চহাই মং মারমা এবং বর্তমান চেয়ারম্যান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস) জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ক্যবামং মারমা প্রার্থী হয়েছেন।

রুমায় উপজেলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উহ্লাচিং মারমা, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও পিসিজেএসএস জেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি অংথোয়াই চিং মারমা।

থানছিতে উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান জেলা পরিষদ সদস্য থোয়াই হ্লা মং মারমা। পিসিজেএসএস সমর্থিত ও বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যহ্লা চিং মারমা।

লামায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা জামাল। তিনি বর্তমানে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য। এ ছাড়া বর্তমান উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের। জাতীয় পার্টির নেত্রী ও সাবেক উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান সেতারা আহম্মদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী আজীজনগর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা রফিক আহম্মদ চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আলমগীর।

আলীকদমে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন ছাড়াও বর্তমান চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আবুল কালাম মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। নাইক্ষ্যংছড়িতে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শফিউল্লাহ দলীয় প্রার্থী হয়েছেন। এখানে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী দলের উপজেলা সহ-সভাপতি আবু তাহের কোম্পানি, সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি চচোমং মার্মা এবং আওয়ামী লীগ নেতা মো. ইকবাল ও মো. ফরিদ প্রার্থী হয়েছেন।

গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান, জেলার ছয় উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২৯ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৬ এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩৫ জন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগর ছয় প্রার্থী ছাড়াও বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন ১৫ জন। বিএনপি থেকে কেউ প্রার্থী হননি।

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী পিয়ারুল ইসলাম, স্বতন্ত্র শাহ সারোয়ার কবির (বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ), এনএনপিপির শফিকুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র ইস্তেকুর রহমান মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

গোবিন্দগঞ্জে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুল লতিফ প্রধান, ওয়ার্কার্স পার্টির আব্দুল মতিন মোল্লা, স্বতন্ত্র মুকিতুর রহমান রাফি (বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ), ফেরদৌস আলম রাজু (বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ), নাজমুল ইসলাম লিটন (বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ), জাহিদ চৌধুরী (বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ) ও কামরুল হাসান।

ফুলছড়িতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী দলের উপজেলা সভাপতি জিএম সেলিম পারভেজ, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাঈদ সরকার (বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ), স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান (বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ), বেলাল হোসেন ইউসুফ (বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ)। পলাশবাড়ীতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী একেএম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ (আওয়ামী লীগ), অ্যাডভোকেট মমতাজ উদ্দিন (জাতীয় পার্টি), স্বতন্ত্র উপাধ্যক্ষ শামিকুল ইসলাম সরকার লিপন (বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ), স্বতন্ত্র তৌফিকুল আমিন মণ্ডল টিটু এবং স্বতন্ত্র বজলার রহমান রাজা।

সাদুল্যাপুরে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শাহরিয়ার খান বিপ্লব, স্বতন্ত্র মতিয়ার রহমান (বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ), শাহ ফজলুল হক রাজা (বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ), আজিজার রহমান বিএসসি (বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ) ও স্বতন্ত্র আকতারা বানু লাকি।
সাঘাটায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী এসএম শামসিল আরেফিন, ওয়ার্কার্স পার্টির মাসুদার রহমান, জাতীয় পার্টির মমিতুল হক নয়ন ও স্বতন্ত্র জাহাঙ্গীর কবির (বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ)।

নওগাঁ প্রতিনিধি জানান, জেলার ১১টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪৫ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ১১ জন, বিদ্রোহী ১৫ জন, জাতীয় পার্টির ৬ জন, বিকল্প ধারার ১ জন, জাকের পার্টির ২
জন, বিএনএফের ১ জন ও স্বতন্ত্র ৬ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর আড়ালে বিএনপির ৫ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তবে নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে মাত্র একজন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এই পদে আর কোনো প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন তিনি। এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে ৪৮টি এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট মনোনয়ন জমা পড়েছে ৩৬টি।

নওগাঁ সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা চালকল মালিক গ্রুপের সভাপতি লফিকুল ইসলাম রফিক মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

আত্রাই :উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৪ জন। এর মধ্যে আত্রাই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ এবাদুর রহমান এবাদ, স্বতন্ত্র হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ আজিজুর রহমান পলাশ ও জাতীয় পার্টি মনোনীত বীথেন্দ্রনাথ পাল, জাকের পার্টির রবি রায়হান।

ধামইরহাট :উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত আলহাজ মো. আজাহার আলী মণ্ডল, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ন ম আফজাল হোসেন, জাপা মনোনীত দেওয়ান মো. আব্দুল হান্নান, স্বতন্ত্র বিএনপি নেতা মো. হানজালা ও মো.আয়েন উদ্দিন ডালিম।

পোরশা :উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ মো. আনোয়ারুল ইসলাম, স্বতন্ত্র হিসেবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মঞ্জুর মুর্শেদ, সহসভাপতি মো. ওবায়দুল শেখ, জাতীয় পার্টি নেতা আকবর আলী কালু ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাপা নেতা আব্দুল মাজেদ।

মান্দা :চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী হয়েছেন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার জসিম উদ্দিন, বিএনপি নেতা এস এম আহসান হাবিব (স্বতন্ত্র), উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আলতাফ হোসেন।

সাপাহার :উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ শামসুল আলম শাহ চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ শাহাজান আলী মণ্ডল (স্বতন্ত্র), তার স্ত্রী সুলতানা রাজিয়া (স্বতন্ত্র), জাতীয় পার্টির ইব্রাহিম হোসেন ও জাকের পার্টির মোহাম্মদ আলী।

বদলগাছী :উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৪ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করছেন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু খালেদ বুলু, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শামসুল আলম খান (আওয়ামী লীগ সমর্থক) এবং তার স্ত্রী আলেয়া বেগম, মো. ফয়সাল ওয়ালিদ (স্বতন্ত্র)।

রানীনগর :উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারা সবাই আওয়ামী লীগের। আওয়ামী লীগ মনোনীত উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার হোসেন হেলাল ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. রেজাউল ইসলাম (স্বতন্ত্র)।

পত্নীতলা :উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৪ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল গাফ্‌ফার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কাজী মাহমুদুল আলম, জাতীয় পার্টির হুমায়ন কবির চৌধুরী ও বিকল্পধারার কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব
আব্দুর রউফ মান্নান।

মহাদেবপুর :উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৩ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব ভোদন, জেলা বিএনপির সদস্য রিয়াছাত হায়দার টগর ও বিএনএফের জাবেদ আলী।

নিয়ামতপুর :আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক চন্দননগর ইউপি চেয়ারম্যান খালেকুজ্জামান তোতা, উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রেজাউল হাসান রানা, নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম সদস্য আবেদ হোসেন মিলন, পবিত্র কুমার প্রামাণিক, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সস্পাদক ছাদরুল আমীন চৌধুরী ও বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী।

রাঙামাটি অফিস জানায়, রাঙামাটি জেলার ১০ উপজেলার মধ্যে চেয়ারম্যান পদে রাঙামাটি সদর উপজেলায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-সন্তু লারমা) অরুণ কান্তি চাকমা ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী শহীদুজ্জামান রোমন। বাঘাইছড়ি উপজেলায় সুদর্শন চাকমা (জেএসএস-এমএন লারমা), বড়ঋষি চাকমা (জেএসএস-সন্তু লারমা) ও পূর্ব রঞ্জন চাকমা (জেএসএস-সন্তু লারমা)। লংগদু উপজেলায় আব্দুল বারেক (আওয়ামী লীগ), আব্দুর রহিম (স্বতন্ত্র), হাজী ফয়েজুল আজীম (স্বতন্ত্র)। নানিয়ারচর উপজেলায় প্রগতি চাকমা (জেএসএস-এমএন লারমা), রুপম চাকমা (জেএসএস-এমএন লারমা), পঞ্চানন চাকমা (স্বতন্ত্র), জ্ঞানরঞ্জন চাকমা (স্বতন্ত্র), বিনয়কৃঞ্চ চাকমা (স্বতন্ত্র) ও জান্তিনা চাকমা (স্বতন্ত্র)। কাউখালী উপজেলায় অর্জুন মনি চাকমা (স্বতন্ত্র), তুহিন চাকমা (স্বতন্ত্র) ও শামসুদ্দোহা চৌধুরী (আওয়ামী লীগ)। রাজস্থলী উপজেলায় উবাসু মারমা (আওয়ামী লীগ) ও শাক্য মিত্র তংচংগ্যা (স্বতন্ত্র)। কাপ্তাই উপজেলায় মো. মফিজুল হক (আওয়ামী লীগ)। বরকল উপজেলায় বিধান চাকমা (জেএসএস-সন্তু লারমা) ও সবির কুমার চাকমা (আওয়ামী লীগ)। জুরাছড়ি উপজেলায় রুপ কুমার চাকমা (আওয়ামী লীগ) ও সুরেশ কুমার চাকমা (জেএসএস-সন্তু লারমা) এবং বিলাইছড়ি
উপজেলায় বিরোত্তম তংচংগ্যা (জেএসএস-সন্তু লারমা) ও জয়সেন তংচংগ্যা (আওয়ামী লীগ) মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি জানান, জেলার ৮টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩৬, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩৮ জন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩১ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ৮ প্রার্থী ছাড়াও প্রায় ২০ জন
বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন।

চেয়ারম্যান পদে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শানে আলম, ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) সমর্থিত বর্তমান চেয়ারম্যান চঞ্চুমনি চাকমা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি
(জেএসএস-এমএন) তরুণ আলো দেওয়ান, বাঙালি ছাত্র পরিষদ (একাংশ) সমর্থিত নজরুল ইসলাম মাসুদ, এনপিপির আয়নাল হক।

রামগড়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক বিশ্ব প্রদীপ কুমার কারবারী, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক কাজী নুরুল আলম আলমগীর, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল কাদের, পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক রফিকুল আলম কামাল ও
সাবেক শিবির নেতা আবু বক্কর সিদ্দিক।

মানিকছড়িতে চেয়ারম্যান পদে একমাত্র প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জয়নাল আবেদীন। দীঘিনালায় আওয়ামী লীগ মনোনীত উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হাজী মো. কাশেম। অন্যরা হচ্ছেন রাজ্যময় চাকমা, প্রফুল্ল কুমার চাকমা, উমেশ কান্তি চাকমা, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ধর্ম্মবীর চাকমা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বকল্যাণ চাকমা, সাবেক শিক্ষক নেতা সাধন চন্দ্র চাকমা এবং প্রিয়দর্শী চাকমা।

পানছড়িতে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক বিজয় কুমার দেব, অনিল চন্দ্র চাকমা (ইউপিডিএফ), মিঠুন চাকমা (ইউপিডিএফ, গণতান্ত্রিক), অনিল কান্তি দে, শান্তি জীবন চাকমা (ইউপিডিএফ) এবং শ্যামল কান্তি চাকমা (জেএসএস-এমএন লারমা)। মাটিরাঙ্গায় নৌকা প্রতীকে উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রফিকুল ইসলাম, একই দলের উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম, স্বতন্ত্র আলী ভূঁইয়া এবং এনপিপির শেখ সালাউদ্দিন সালু।

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি জানান, উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীর পাশাপাশি স্বতন্ত্র হিসেবে দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন আরও ৩ জন। তারা হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ফজলুল করিম সাঈদী, আরেক সহসভাপতি মোক্তার আহমদ চৌধুরী এবং জেলা ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেন মিটু। অন্য দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক এস এম সিরাজুল হক ও শ্রমিক নেতা জহিরুল ইসলাম।

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি জানান, জেলার পাঁচটি উপজেলায় ১৫ জন চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এখানকার আওয়ামী লীগের পাঁচ প্রার্থী ছাড়াও দলের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন ৪ জন। বিএনপি থেকে একজন প্রার্থী হয়েছেন। অন্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন আরও ৫ জন।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত সদর উপজেলা সভাপতি অরুনাংশু দত্ত টিটো, জাতীয় পার্টির জেলা সাধারণ সম্পাদক রেজাউর রাজি স্বপন চৌধুরী ও সাবেক চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র (বিএনপির জেলা সহসভাপতি) সুলতানুল ফেরদৌস নমরু মনোনয়ন দাখিল করেছেন।

বালিয়াডাঙ্গিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আহসান হাবীব বুলবুল, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী স্থানীয় সাংসদের ভাই বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সফিকুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী স্থানীয় সাংসদের ভাতিজা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আসলাম জুয়েল। রানীশংকৈলে আওয়ামী লীগ মনোনীত উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সইদুল হক, সাবেক ছাত্রনেতা শাহরিয়ার পারভেজ মুন্না, জাতীয় পার্টির বাচোর ইউপি সভাপতি আকতারুল ইসলাম ও চাষী এনামুল হক।

এ ছাড়া হরিপুরে আওয়ামী লীগ মনোনীত উপজেলা সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হাসান মুকুল এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম শামীম ফেরদৌস টগর এবং পীরগঞ্জে আওয়ামী লীগ মনোনীত দলের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আখতারুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির উপজেলা সভাপতি ইসাহক আলী এবং জাসদ নেতা গীতি মহন রায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন।

হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি জানান, উপজেলায় চয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রতিটিতে একজন করে প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষিত হওয়ার দিনক্ষণ গুনছেন প্রার্থীরা। চেয়ারম্যান পদে মনোয়নপত্র জমা দেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুব মোর্শেদ, ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ওয়ালী উল্যাহর ছেলে কেএম ওবায়েদ উল্যাহ এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম মনোনয়নপত্র জমা দেন।

 

Print Friendly, PDF & Email