Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

গত ৬ মাসে বিপুল পরিমাণ মাদক, অস্ত্র উদ্ধারসহ একাধিক অজ্ঞাত হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে

আপডেটঃ 8:00 pm | March 03, 2019

এম এ আজিজ, ময়মনসিংহ ব্যুরো ॥

ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি শাহ কামাল আকন্দের দায়িত্বশীল নির্দেশনা ও তৎপরতায় গত ৬ মাসে বিপুল পরিমাণ মাদক, অস্ত্র উদ্ধারসহ একাধিক অজ্ঞাত হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। এ সময়ে প্রায় ৫ শতাধিক মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসীসহ অপরাধীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। ফলে আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে ডিবি পুলিশ ময়মনসিংহে মডেল হিসাবে পুলিশ বিভাগে স্থান করে নিয়েছে। পাশাপাশি অপরাধীদের কাছে ডিবি পুলিশ একটি আতংক বলে ব্যাপক প্রচারণা পেয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, ময়মনসিংহ পুলিশের অন্যতম ক্লিন ইমেজের অধিকারী পুলিশ পরিদর্শক শাহ কামাল আকন্দ ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশের ওসি হিসাবে দায়িত্ব নিয়ে ডিবিকে ডেলে সাজিয়ে তুলেন। যাতে করে যে কোন অপরাধীদের গ্রেফতার, মামলার রহস্য উদঘাটন করে অপরাধীদের আইনের আওতায় অতি অল্প সময়ে আনা সম্ভব হয়। জেলা পুলিশের দায়িত্বশীল আরেক কর্মকর্তা পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেনের নির্দেশনায় এ দায়িত্বশীল পুলিশ পরিদর্শক প্রথমেই মাদককে নিয়ন্ত্রণ করতে উঠে পড়ে লাগেন।
ডিবি পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, পুলিশ বিভাগে নম্র ভদ্র ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসাবে ওসি শাহ আবিদ হোসেন নিজেকে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে ডিবি পুলিশ একটি মুঠের মধ্যে অবস্থান নিয়ে কাজ করছে। তার অক্লান্ত পরিশ্রম, মেধা, ও দায়িত্বশীল নির্দেশনা ও সার্বিক তৎপরতায় ডিবি পুলিশ গত ছয় মাসে বিপুল পরিমান মাদক উদ্ধার করেছে। এ সময়ে ১১ হাজার ১০৮ পিচ ইয়াবা, এক হাজার ৭৯৮ গ্রাম হেরোইন, ১১০ কেজি গাজা, ৬০ বোতল ফেন্সিডিল, ৮০টি বিয়ার উদ্ধার করেছে। এই সময়ে ১১টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ ৮জন মোটরসাইকেল চোরকে গ্রেফতার করে। এছাড়া চুরি হওয়া প্রায় শতাধিক মোবাইল সেট উদ্ধার করে মোবাইলের প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সাথে জুয়া বন্ধে একাধিক জুয়াড় আসরে অভিযান চালিয়ে ২৬৩ জুয়াড়িকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনেন এ কর্মকর্তা। অপরদিকে প্রাথমিক অভিযোগ পেয়ে অর্ধশতাধিক ঘটনার তাৎক্ষনিক সফল নিষ্পত্তি করা হয়। এই সময়ে এলজি ও পাইপগান সহ চারটি অস্ত্র ও গুলিসহ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া ১৮টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ডলার প্রতারকচক্রের একাধিক সদস্যকে ৫৪টি ইউএস ডলারসহ গ্রেফতার করা হয়। এ দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন সময়ে দায়িত্বশীল অগ্রনী ভ’মিকা নিয়ে আইন শৃংখলা বিঘœ, নাশকতা ও বিষ্ফোরক ঘটনার সাথে জড়িত বিভিন্ন থানার এলাকার ৩৫ অপরাধীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হন। এছাড়া মাদক, সন্ত্রাসী ও আলোচিত ডাকাতির ঘটনার সাথে জড়িত অসংখ্য সঙ্গবদ্ধ অপরাধী চক্রকে সাহসিকতার সাথে গ্রেফতারকালে অপরাধী ও পুলিশ বন্ধুকযুদ্ধে ৬ অপরাধী নিহত হয়েছে। এ সময় বেশ কয়েক পুলিশ সদস্য আহত হলেও তিনি দায়িত্ব থেকে পিছপা হননি। এ দায়িত্বশীল কর্মকর্তা কঠোর তৎপরতা হত্যা ও গণধর্ষণ মামলা গফরগাও থানার ১৬(৮)১৮ এর অন্যতম আসামী আহাদ নান্দাইল মডেল থানার মামলা নং ১৯(১)১৮ এর এজাহার নামীয় প্রধান আসামী হাবিবুর রহমান, ত্রিশাল থানার মামলা নং ১৮(৯)১৮ এর অন্যতম আসামী সোহাগ, ধোবাউড়া থানার মামলা নং ৬(১০)১৮ এর প্রধান আসামী শহীদ, ভালুকা মডেল থানার মামলা নং ২১(১১)১৮ এর অন্যতম আসামী শফিকুল ইসলাম, ত্রিশাল থানার মামলায় নং ৪২(১২)১৮এর অন্যতম আসামী ইব্রাহিম ওরফে বাবু ও গোলাপ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে ত্রিশালের ইব্রাহিম ওরফে বাবু ও গোলাপ হোসেনের তথ্যমথে নিহত আজিজুলেল লাশ জঙ্গল থেকে উদ্ধার ও ভিকটিমের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া সিএনজি উদ্ধার করা হয়। অপরদিকে তারাকান্দায় মোটরসাইকেল ছিনতাই করতে গিয়ে মোটর সাইকেল মালিককে ছুরিকাঘাত করে হত্যার ঘটনায় পালিয়ে যাওয়া ঘাতক ইমরানকে গ্রেফতারসহ তার তথ্য মতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি, ভিকমিটির চুরি হওয়া মোবাইল ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। তারা সকলেই আদালতে তাদের অপরাধ স্বিকার করে জবানবন্ধি প্রদান করে নিজেদের দায় স্বিকার করেছে। অপরদিকে এ চৌকুশ পুলিশ অফিসার সাইবার ক্রাইম অপরাধের সাথে জড়িত ৫ অপরাধীদের গ্রেফতারসহ তাদের কবল থেকে অপহৃত ভিকটিমকে অল্প সময়ে উদ্ধার করে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন।

//টি.কে/ওয়েভ-ইন//

Print Friendly, PDF & Email