Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

আরসিবিসির মামলা : বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাখ্যা

আপডেটঃ 2:58 pm | March 13, 2019

বাহাদুর ডেস্ক :

ফিলিপিন্সের রিজল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন-আরসিবিসি  ‘মানহানির’ অভিযোগ এনে যে মামলা করেছে, তাকে  সময়ক্ষেপণের কৌশল হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, তাদের ওই মামলা নিয়ে আমরা মোটেও উদ্বিগ্ন নই। আমাদের টাকা উদ্ধারের জন্য সব ধরনের চেষ্টা আমরা অব্যাহত রাখব।

তিন বছর আগে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশের রিজার্ভের চুরি যাওয়া অর্থ উদ্ধারের আশায় গত ২ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে আরসিবিসির বিরুদ্ধে মামলা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তার জবাবে আরসিবিসি মানহানির অভিযোগ এনে গত ৬ মার্চ ফিলিপিন্সের সিভিল কোর্টে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিরুদ্ধে পাল্টা একটি মামলা করে বলে মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ফিলিপিন্সের ব্যাংকটি বলছে, তাদের কোম্পানির সুনাম ও ভাবমূর্তির ওপর বারবার ‘অশুভ আক্রমণ’ চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০ কোটি পেসো (১৯ লাখ ডলার) দাবি করা হয়েছে মামলায়।

এক বিবৃতিতে আরসিবিসি বলেছে, টাকা আদায় করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বিরাট এক ষড়যন্ত্র শুরু করেছে, সেজন্য তারা আরসিবিসির সুনাম ক্ষুণ্ন করতে, ভাবমূর্তি নষ্ট করতে উঠেপড়ে লেগেছে। কিন্তু যে টাকার জন্য এটা তারা করছে, তা কখনোই আরসিবিসির কাছে ছিল না, ওই টাকার দায়ও আরসিবিসির নয়।

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম গতকাল রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, আরসিবিসি আক্রোশের বশবর্তী হয়ে ওই মামলা করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের রিজার্ভের চুরি যাওয়া অর্থ উদ্ধারের জন্য আরসিবিসির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মামলা হওয়ার পর নিউ ইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক, ফিলিপিন্স সরকারসহ বিভিন্ন মহল থেকে আরসিবিসিকে চাপ দেওয়া হচ্ছে। সেই চাপের কারণে আক্রোশের বশে এবং সময়ক্ষেপণের চেষ্টায় তারা এখন আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

ফিলিপিন্সের রিজল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন-আরসিবিসি  ‘মানহানির’ অভিযোগ এনে যে মামলা করেছে, তাকে  সময়ক্ষেপণের কৌশল হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, তাদের ওই মামলা নিয়ে আমরা মোটেও উদ্বিগ্ন নই। আমাদের টাকা উদ্ধারের জন্য সব ধরনের চেষ্টা আমরা অব্যাহত রাখব।

তিন বছর আগে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশের রিজার্ভের চুরি যাওয়া অর্থ উদ্ধারের আশায় গত ২ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে আরসিবিসির বিরুদ্ধে মামলা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তার জবাবে আরসিবিসি মানহানির অভিযোগ এনে গত ৬ মার্চ ফিলিপিন্সের সিভিল কোর্টে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিরুদ্ধে পাল্টা একটি মামলা করে বলে মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ফিলিপিন্সের ব্যাংকটি বলছে, তাদের কোম্পানির সুনাম ও ভাবমূর্তির ওপর বারবার ‘অশুভ আক্রমণ’ চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০ কোটি পেসো (১৯ লাখ ডলার) দাবি করা হয়েছে মামলায়।

এক বিবৃতিতে আরসিবিসি বলেছে, টাকা আদায় করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বিরাট এক ষড়যন্ত্র শুরু করেছে, সেজন্য তারা আরসিবিসির সুনাম ক্ষুণ্ন করতে, ভাবমূর্তি নষ্ট করতে উঠেপড়ে লেগেছে। কিন্তু যে টাকার জন্য এটা তারা করছে, তা কখনোই আরসিবিসির কাছে ছিল না, ওই টাকার দায়ও আরসিবিসির নয়।

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম গতকাল রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, আরসিবিসি আক্রোশের বশবর্তী হয়ে ওই মামলা করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের রিজার্ভের চুরি যাওয়া অর্থ উদ্ধারের জন্য আরসিবিসির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মামলা হওয়ার পর নিউ ইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক, ফিলিপিন্স সরকারসহ বিভিন্ন মহল থেকে আরসিবিসিকে চাপ দেওয়া হচ্ছে। সেই চাপের কারণে আক্রোশের বশে এবং সময়ক্ষেপণের চেষ্টায় তারা এখন আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

Print Friendly, PDF & Email