Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

রূপালী ব্যাংকের টাকা আত্মসাত ।। দণ্ডপ্রাপ্ত বোরহানকে গ্রেফতারে রেড অ্যালার্ট জারির নির্দেশ

আপডেটঃ 7:29 pm | April 07, 2019

বাহাদুর ডেস্ক :

রূপালী ব্যাংকের ১৫ কোটি টাকা আত্মসাতের দায়ে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবু বোরহান চৌধুরীকে গ্রেফতারে প্রয়োজনে রেড অ্যালার্ট জারির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পুলিশের আইজি, র‌্যাবের ডিজি, ডিএমপি পুলিশ কমিশনারসহ সব আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার এই আদেশ দেন। পাশাপাশি ১৫ এপ্রিলের মধ্যে এ বিষয়ে অগ্রগতিও আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী হাসান এম এস আজিম।

অন্যদিকে আপিলকারী এইচএম বাহাউদ্দীনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. রিজাউল ইসলাম রিয়াজ এবং তিন ব্যাংক কর্মকর্তার পক্ষে আইনজীবী শেখ ওবায়দুর রহমান।

আদেশের পর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক সাংবাদিকদের বলেন, যাবাজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হলেন এভারেস্ট হোল্ডিং অ্যান্ড টেকনোলজিস লিমিটেডের চেয়ারম্যান আবু বোরহান চৌধুরী।

তিনি জানান, গত ২৯ জানুয়ারি আমৃত্যু যাবজ্জীন সাজাপ্রাপ্ত আসামি এভারেস্ট হোল্ডিং ও টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএইচএম বাহাউদ্দীনের জামিন শুনানির সময় তিন ব্যাংক কর্মকর্তার অব্যাহতির বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে পড়ে। রূপালী ব্যাংকের ১৫ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় অভিযোগপত্র থেকে ওই তিন ব্যাংক কর্মকর্তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এ কারণে ওইদিন তিন ব্যাংক কর্মকর্তাকে হাইকোর্টে তলব করা হয়।

আদেশ অনুসারে রোববার তিন কর্মকর্তা রূপালী ব্যাংক স্থানীয় কার্যালয়ের বর্তমান মহাব্যবস্থাপক এসএম আতিকুর রহমান, উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আলী ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. আবদুস সামাদ সরকার হাইকোর্টে হাজির হন। পরে আদালত শুনানি শেষে বোরহান চৌধুরীকে ধরতে রেড অ্যালার্ট জারির নির্দেশ দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম ২০১২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর পাঁচজনকে আসামি করে রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা করেন। এতে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রাহকের মিথ্যা, ভুয়া সনদ যাচাই না করে পরস্পর যোগসাজশে বিক্রীত জমি ও ফ্ল্যাট অবিক্রীত হিসেবে প্রদর্শন করে এবং বন্ধক দেখিয়ে ঋণপ্রস্তাবের মাধ্যমে ১৫ কোটি টাকা গ্রাহকের নামে বিতরণ করে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।

পরে তদন্ত কর্মকর্তা ২০১৩ সালের ২৯ আগস্ট তিন ব্যাংক কর্মকর্তাকে অব্যাহতি দিয়ে এভারেস্ট আবু বোরহান চৌধুরী, এএইচএম বাহাউদ্দীন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক আবদুল কুদ্দুস খানকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর ওই মামলায় ২০১৫ সালের ১২ এপ্রিল রায় দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত।

রায়ে আবু বোরহান চৌধুরী, এএইচএম বাহাউদ্দীনকে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া অপর আসামিদের খালাস দেন আদালত। এরপর ওই রায়ের বিরুদ্ধে এএইচএম বাহাউদ্দীন হাইকোর্টে আপিল করেন।

//টি.কে/ওয়েভ-ইন//

Print Friendly, PDF & Email