Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

চৌদ্দগ্রামের হত্যা মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বহাল

আপডেটঃ 7:36 pm | April 07, 2019

বাহাদুর ডেস্ক :

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে যাত্রীবাহী বাসে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

রোববার সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি শোনেন। কিছুক্ষণ পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জামিন বহাল রাখার আদেশ দেন আপিল বিভাগ।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘সরকারের আবেদন ডিসমিসড করে জামিন বহাল রেখেছেন। সরকারের বাধার কারণে আইনি প্রক্রিয়ায় জামিন কঠিন হবে। এখনও তার দু’টি মামলা পেন্ডিং আছে। তবে এর মধ্যে আর কোনও মামলা না দিলে ওই দু’টি (জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট) মামলায় জামিন পেলে তিনি জেল থেকে বের হবেন।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘যদি সুনির্দিষ্ট কারণ দেখিয়ে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেন, তাহলে বিষয়টি আমরা ভেবে দেখবো’ এমন বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে খন্দকার মাহবুব বলেন, আমি বারবার বলেছি, প্যারোলের বিষয়টি রাজনৈতিক বিষয়। এখানে খালেদা জিয়া প্যারোলে যাবেন কিনা এবং সরকার প্যারোল দেবেন কিনা এটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। আমরা আইনজীবী হিসেবে বলতে পারি চিকিৎসার জন্য প্যারোলে যায়। প্যারোলের বিভিন্ন উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, দেশে, ভারতে, পাকিস্তানে প্যারোলের যাওয়ার নজির রয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে প্যারোলে যাওয়া প্রায়ই দেখা যায়। আমরা চাই তাকে আইনগতভাবে মুক্তি দেওয়া।

এসময় এক প্রশ্নের জবাবে খালেদা জিয়ার অপর আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, আমরা প্যারোলের আবেদন করিনি।।

গত ৬ মার্চ এ মামলায় খালেদা জিয়াকে ৬ মাসের জামিন দেন বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মুজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ। পরে ১৯ মার্চ হাইকোর্টের জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন জানিয়েছিলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে ৩১ মার্চ চেম্বার বিচারপতি হাইকোর্টের দেওয়া জামিন ৭ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত করেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনটি ৭ এপ্রিল আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় রোববার শুনানি হয়।

২০১৫ সালের শুরুর দিকে ২০ দলীয় জোটের ডাকা অবরোধ চলাকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রামে দুষ্কৃতকারীদের ছোড়া পেট্রলবোমায় আইকন পরিবহনের একটি বাসের কয়েকজন যাত্রী অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান। আহত হন আরো ২০ জন। এ ঘটনায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে এ মামলায় খালেদা জিয়াকে আসামি দেখানো হয়।

//টি.কে/ওয়েভ-ইন//

Print Friendly, PDF & Email