Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

গৌরীপুরে বৈশাখের ব্যাপক প্রস্তুতি : দোকানে দোকানে কেনাকাটার ধুম

আপডেটঃ 7:44 pm | April 10, 2019

তাসাদ্দুল করিম : 
বাংলা নববর্ষ ১৪২৬, শুরু হতে আর মাত্র চার দিন বাকি। বর্ষবরণের জন্য চলছে নানা প্রস্তুতি। রাজধানী শহর ঢাকা ছাড়াও দেশব্যাপী চলছে উৎসবের নানা আয়োজন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালির প্রাণের উৎসবের ঢেউ লেগেছে সবখানে। বাংলা নববর্ষের উৎসবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মঙ্গল শোভযাত্রা ও গ্রামীণ মেলা। সব বয়সীরা কিনতে শুরু করেছেন তাদের পছন্দের নতুন পোশাক । জমে উঠেছে বেচাকেনা। মার্কেটগুলোতে বাড়ছে ভিড়।

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বুধবার (১০এপ্রিল/১৯) ছোট-বড় বিপণীবিতানগুলোতে কেনাকাটা বেড়েছে। পরিবার-পরিজনসহ নানা রঙের নতুন পোশাকে নিজেকে সাজাতে ভিড় বাড়ছে ক্রেতার। লাল, সাদা, নীলসহ বাহারি রঙে নিজেকে সাজাতে খুঁজে ফিরছেন পছন্দের পোশাকটি। জমকালো পাঞ্জাবি, দৃষ্টিনন্দন শাড়ি আর জামায় এবারেও তারা ফুটিয়ে তুলেছেন বাঙালিয়ানাকেই। ছোটদের জন্য রয়েছে সাদা-লালের বাহারি জামা, ফতুয়া, স্কার্ট, থ্রি-পিসসহ বিভিন্ন ডিজাইনের দেশীয় পোশাক। নিজেদের পছন্দের শাড়ি, জামার সঙ্গে ম্যাচিং চুড়ি, মালা, দুল কিনতে অনেকে আবার ভিড় করছেন গয়নার দোকানে।

ক্রেতা মোখলেছুর রহমান বলেন, বৈশাখ উপলক্ষে কেনাকাটা করতে এসেছি। নিজের জন্য শার্ট ও স্ত্রীর জন্য শাড়ি কিনেছি। ব্যাগ সুপার মার্কেটে পাঞ্জাবি দেখছেন তিনি। গৌরীপুর মহিলা কলেজ শিক্ষার্থী মীম ও সুমি বলেন, বৈশাখের উৎসবের জন্য শাড়ি কিনেছি। ইউনিক ফ্যাশনের মালিক সুহেল রানা জানান, দেশীয় ডিজাইনের কালেকশন তোলা হয়েছে। এ পর্যন্ত ক্রেতা সমাগম ভালো। আশা করছি, সামনে আরো ক্রেতা আসবে। আমাদের দোকানে ৪০টির ওপরে বৈশাখের নতুন পোশাক এসেছে। যেগুলো ৫০০ শত থেকে শুরু করে ৬,০০০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গৌরীপুর সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র ইমরান হাসান বলেন, সব কিছুই ঠিক তবে বৈশাখ উপলক্ষ্যে দাম একটু বেশি নিচ্ছেন বিক্রেতারা। অপরদিকে বিক্রেতাগণ বলেন এই বৈশাখে পণ্যের মূল্য ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যেই আছে।

অন্যদিকে ফুটপাতজুড়ে বৈশাখী আয়োজনে সাদা-লালে ছেয়ে গেছে। রকমারি পোশাকের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। বৈশাখে নিজের পছন্দের শাড়ি কিনতে এসে মাইশা ফারজানা রাফা জানান, পহেলা বৈশাখে সাদা-লালের ছোঁয়াটা বেশ প্রাধান্য পায়। তবুও নিজের জন্য একটু ভিন্নধর্মী শাড়ি বেছে নিতে চান তিনি। আরেক তরণী মোনালিসা বলেন, বৈশাখে নতুন কিছু কেনা যেন বাধ্যবাধকতাই। অবশ্য এই দিনে নিজেকে শাড়িতেই দেখতে চান মোনা। কলেজ শিক্ষার্থী রাকিব অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও নতুন বছরকে বরণ করার জন্য কিনেছে গেঞ্জি, শার্ট, পেন্ট ইত্যাদি।

ফুটপাতের দোকাদার মোঃ সাইদুর রহমান বলেন এবার বৈশাখে ব্যবসা বেশ ভালোই চলছে। প্রতিদিন ৩/৪ হাজার টাকার মালামাল বিক্রি করা যায়। তবে ৫ বছর থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের পোশাকই বেশি চলছে।

//টি.কে/ওয়েভ-ইন//

Print Friendly, PDF & Email