Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

গৌরীপুর আর.কে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রেষণে থাকা শিক্ষকদের প্রেষণ বদলী বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেটঃ 9:08 pm | April 17, 2019

স্টাফ রিপোর্টার :
ময়মনসিংহের গৌরীপুর আর.কে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের প্রেষণে থাকা বদলী বাতিলের দাবিতে বুধবার (১৭ এপ্রিল/১৯) মানববন্ধন করে গৌরীপুর উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদ ও অভিভাবকবৃন্দ।
মানববন্ধনে এক অভিভাবক ছামিনা সুলতানার আকুতি ‘মেধাবীদের মেধা হত্যা করবেন না, প্লিজ আমার সন্তানের ভবিষ্যত নিয়ে ছিনিমিনি খেলা বন্ধকরুন’। প্রেষণে থাকা শিক্ষকদের ৪৮ঘন্টার মাঝে বিদ্যালয়ে পাঠান। এ বক্তব্যের সূত্র ধরেই শিল্পী আক্তার বলেন, বেতন খাবেন গৌরীপুরের, ক্লাস করাবেন ল্যাবরেটরীতে, তা মেনে নেয়া হবে না। আর.কে উচ্চ বিদ্যালয় বাঁচাও, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত বাঁচাও শ্লোগানে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান বলেন, শতবর্ষের এ স্কুলের সুনামক্ষুন্ন করার ষড়যন্ত্র চলছে। তার সঙ্গে প্রেষণে থাকা শিক্ষক ও উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ জড়িত, তাদের শাস্তি হওয়া উচিত।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম মিন্টু। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান ফকির। বক্তব্য রাখেন অভিভাবক অ্যাডভোকেট নুর মোহাম্মদ ফকির, অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা আওলাদ হোসেন জসিম, যুগান্তর স্বজন সমাবেশের সভাপতি উপাধ্যক্ষ মো. এমদাদুল হক, গোলাম মোস্তফা, মো. মঞ্জুরুল হক, আজিম উদ্দিন, গৌরীপুর পৌরসভার কাউন্সিলর দিলুয়ারা আক্তার, মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ বেগম, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন গৌরীপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক রইছ উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, গৌরীপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি ওয়াসিকুল ইসলাম রবিন, উপজেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি আলী আশরাফ আবীর প্রমুখ।


মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, গৌরীপুর আর.কে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের যোগদান করেই শিক্ষকরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে অন্যত্র প্রেষণে চলে যান। বিদ্যালয়ের প্রায় ৭শত শিক্ষার্থীর পাঠদান চলছে মাত্র ১২ জন শিক্ষক দিয়ে। ৫ জন শিক্ষক প্রেষণে থাকায় চতুর্থ ঘন্টা পর বিদ্যালয় ছুটি হয়ে যায়। এতে করে এখানে অধ্যয়নরত কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে। কিছুদিন আগে বিদ্যালয়ের একমাত্র উচ্চমান সহকারিকেও প্রেষণে অন্যত্র নেয়া হয়েছে। এত অনিয়মের মধ্য দিয়ে একটা বিদ্যালয় চলতে পারে না। অচিরেই শিক্ষক সঙ্কট সমাধান না করা হলে আগামী দিনে কঠোর আন্দোলনে যেতে আমরা বাধ্য হবো।

//টি.কে/ওয়েভ-ইন//

Print Friendly, PDF & Email