Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

যুক্তরাজ্যে তারেক ও জোবাইদার ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ

আপডেটঃ 11:13 am | April 19, 2019

বাহাদুর ডেস্ক :

দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জোবাইদা রহমানের নামে থাকা যুক্তরাজ্যের একটি ব্যাংকের তিনটি হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার আদালত। গত বুধবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন। আদেশের বিষয়টি বৃহস্পতিবার প্রকাশ পেয়েছে।

দুদকের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আদেশটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ব্রিটেনের অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসে পাঠানো হবে। সেখানে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে পাঠিয়ে আদেশ কার্যকর করবেন।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাজ্যের ব্যাংকটিতে তারেক রহমানের নামে দুটি এবং তার স্ত্রীর নামে একটি ব্যাংক হিসাব জব্দ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব ব্যাংক হিসাবে বাংলাদেশ থেকে সন্দেহজনক লেনদেন হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অবশ্য ব্রিটেনের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (এফআইইউ) এসব ব্যাংক হিসাব আগেই জব্দ করেছে।

দুদকের মামলার আবেদনে বলা হয়, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দেশ থেকে অর্থ পাচার করে বিদেশে বিনিয়োগ করার অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, স্যানট্যান্ডার ব্যাংক ইউকে’তে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠানের হিসাব থেকে তারেক রহমান ও জোবাইদা রহমানের তিনটি ব্যাংক হিসাবে ৫৯ হাজার ৩৪১ দশমিক ৯৩ ব্রিটিশ পাউন্ড স্থানান্তর এফআইইউ, ইউকের নির্দেশে আটক আছে। ওই অর্থ তারা অন্যত্র হস্তান্তর বা রূপান্তর করার চেষ্টা করছেন। তাই বর্ণিত অর্থের বিষয়ে এখনই কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে তা বেহাত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

যুক্তরাজ্যে থাকা তারেকের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মাধ্যমে বিদেশে বিনিয়োগ-সংক্রান্ত একটি অভিযোগের অনুসন্ধান করছে দুদক। সংস্থাটির উপপরিচালক আখতার হামিদ ভূইয়ার নেতৃত্বে এই অনুসন্ধান চলছে।

গত বছর অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচন ‘প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে’ আসা ‘দেড়শ কোটি টাকার’ একটি অংশ উদ্ধারের পর তার সঙ্গে তারেকের সম্পৃক্ততা থাকার দাবি করেছিল র্যা ব।

তারেক রহমান অর্থ পাচারের একটি মামলায় দেশের আদালতে দণ্ডিত। এছাড়া একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা এবং জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় তার দণ্ড রয়েছে। সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে গ্রেফতার হওয়ার এক বছর বাদে সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্তি নিয়ে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়েছিলেন তারেক, তারপর থেকে স্ত্রী-মেয়েকে নিয়ে সেখানেই থাকছেন তিনি।

বিদেশে থেকেই বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। মা খালেদা জিয়া গত বছর দুর্নীতির মামলায় দণ্ড নিয়ে কারাগারে যাওয়ার পর থেকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। দণ্ড নিয়ে পলাতক তারেককে ফেরাতে বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা, তবে তাতে এখনও সফল হননি।

//টি.কে/ওয়ভ-ইন//

Print Friendly, PDF & Email