Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

ব্রেকিং নিউজঃ

গৌরীপুর থেকে ফিরতি পথে অতিরিক্ত ভাড়া, নিশ্চুপ কর্তৃপক্ষ

আপডেটঃ 8:56 pm | June 10, 2019

বাহাদুর ডেস্ক:

স্বজনদের সঙ্গে ঈদুল ফিতরের আনন্দ উদযাপন শেষে প্রতিদিন হাজারো মানুষ বাস ও ট্রেনযোগে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন। কিন্ত যাত্রীর তুলনায় বাস, ট্রেন সঙ্কট ও কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে ঘরফেরত যাত্রীরা।

ফিরতি পথে গৌরীপুর রেলওয়ে স্টেশন ও বাসস্ট্যান্ডে অতিরিক্ত ভাড়া ও ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না বলে যাত্রীদের অভিযোগ।

শনিবার (০৮ জুন) সকালে গৌরীপুর রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তঃনগর হাওড় এক্সপ্রেস ট্রেনের ক্যান্টিন, নামাজঘর এমনকি টয়লেটের সামনেও চেয়ার বসিয়ে উৎকোচের বিনিময়ে যাত্রী তুলছেন অ্যাটেনডেন্সরা। ট্রেনে যোগ করা অতিরিক্ত ‘ঝ’ বগিতে ওঠার সময় যাত্রীরা অ্যাটেনডেন্স নূর নবীকে টাকা না দেওয়ায় দরজা আটকে রাখেন তিনি। পরে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে নূর নবী সটকে পড়েন।

অপরদিকে ঈদের পরের দিন বৃহস্পতিবার থেকেই ঢাকাগামী বলাকা কমিউটার ও মহুয়া কমিউটার ট্রেনেও ফিরতি পথের যাত্রীদের বাড়তি চাপ ছিলো। আসনের তুলনায় যাত্রীর সংখ্যা বেশি থাকায় ওই দুই ট্রেনের টিকিট অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।

এ বিষয়ে গৌরীপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আব্দুর রশিদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভি করেননি।

শনিবার খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ময়মনসিংহগামী বাসের ভাড়া ২৫ টাকার পরিবর্তে ৫০ টাকা ও গৌরীপুর থেকে ময়মনসিংহগামী সিএনজি চালিত অটোরিকশায় ৪০ টাকার ভাড়া ১০০ টাকা করে রাখা হচ্ছে।

অপরদিকে পৌর শহরের হারুনপার্ক এলাকায় ঢাকাগামী ধূমকেতু বাসের ২২০ টাকার টিকিট ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।

বাসযাত্রী আব্দুর রাকিব বলেন, ঈদ ও অন্যান্য উৎসব উপলক্ষে অন্যান্য দেশে যাত্রীদের যাতায়াত সুবিধার জন্য ভাড়া কমিয়ে দেয় পরিবহন কর্তৃপক্ষ। অথচ আমাদের দেশে চিত্র ভিন্ন। শনিবার গৌরীপুর বাসট্যান্ড থেকে ময়মনসিংহগামী বাসে ২৫ টাকার ভাড়া ৫০ টাকা রাখা হয়েছে। কিন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারহানা করিম বলেন, আমি ছুটিতে আছি। যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি ভাড়া নেওয়ার বিষয়টা আমি জেনেছি। এ বিষয়ে আমি এসিল্যান্ডকে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি।

Share to MessengerShare to WhatsAppShare to Print

Print Friendly, PDF & Email