Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

ময়মনসিংহে থেকে ঝমজ ৩ কিশোরী অপহরনের ৩ দিনের মধ্যে ডিবি’র অভিযানে উদ্ধার ॥ গ্রেপ্তার-৬

আপডেটঃ 7:48 pm | June 20, 2019

স্টাফ রিপোর্টার ॥

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ভাইটকান্দি থেকে ঝমজ তিন কিশোরী বোনকে গত শুক্রবার (১৫জুন) অপহরনের তিনদিন পর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ বুধবার ভোরে শেরপুরের ঝিনাইগাতী থেকে উদ্ধার করে। এ সময় অপহরণ ও পরবর্তী সময়ে আশ্রয়দাতা হিসাবে অপরাধ সংগঠিত করার দায়ে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন বুধবার দুপুরে এক সংবাদ সন্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন।
ময়মনসিংহের পুলিশ সুপারের কনফারেন্স রুমে বুধবার দুপুরে পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন সাংবাদিকের জানান, গত ১৫ জুন ভোরে জেলার ফুলপুর উপজেলার ভাইটকান্দি দক্ষিণ পাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী আব্দুর রহমানের তিন জমজ কন্যা আবিদা সুলতানা পপি (১৫), শাহানা সুলতানা সুমা (১৫) এবং রেজিয়া সুলতানা চম্পা (১৫) কে অপহরনকারীরা নিয়ে যায়। এ ঘটনায় পরদিন ১৬ জুন নিখোজ তিন জমজের চাচা আব্দুস সালাম ফুলপুর থানায় জিডি নং ৫৪৯ দায়ের করে।

একই পরিবারের তিন কিশোরী ও ঝজম বোন অপহরণের ঘটনা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও ফেইসবুকে ব্যাপক প্রকাশ পায়। এ ঘটনাকে পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন অধিক গুরুত্ব দিয়ে অনুসন্ধান পুর্বক অপহৃতদের উদ্ধার করতে ফুলপুর থানা ও ডিবি পুলিশকে নির্দেশ দেয়। এরই প্রেক্ষিতে ফুলপুর সার্কেলের নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শাহ কামাল আকন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অপহৃতদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করেন। ডিবি পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত ১৭ জুন অভিযান পরিচালনা করে নকলা থেকে অপহৃত তিনবোনের মধ্যে আবিদা সুলতানা পপিকে উদ্ধার করে।
পপি পুলিশী জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তাদের তিন বোনকে গত ১৫ জুন ভোরে নিজ বাড়ি থেকে অপহরণ করে শেলপুরের ঝিনাইগাতি নিয়ে অজ্ঞাত এক বাড়িতে রাখে।
পুলিশ সুপার আরো জানান, এ ঘটনায় অপহৃতদের পিতা আব্দুর রহমান বাদি হয়ে ফুলপুর থানায় ৯ জনের নামে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন।
পুলিশ সুপার আরো জানান, পপির দেওয়া তথ্যে ভিত্তিতে থানা ও ডিবি পুলিশ গত ১৮ জুন সুলতান মাহমুদ ও মাসুদ রানাকে গ্রেফতার করে। পরে ডিবি পুলিশ ঐ দিনই ঢাকা থেকে আরো দুই আসামী মোমেন ও সুরাইয়া রাহাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৯ জুন ভোরে ঝিনাইগাতী উপজেলার নকশী বাজার এলাকা থেকে ঘটনার সাথে জড়িত মুন্না ও জুয়েলকে গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে শাহানা সুলতানা সুমা ও রেজিয়া সুলতানা চম্পাকে উদ্ধার করে।

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কোতোয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ সভাপতি কামরুল ইসলাম মোঃ ওয়ালিদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে বাদ জোহর শহরের আঞ্জুমানে ঈদগাহ মাঠে মরহুমের নামাজে জানাযা হয়। নামাজে জানাযায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দের পরিচালনায় সাবেক ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, কেন্দ্রীয় বিএনপির ডাঃ এজেড এম জাহিদ হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট জহিরুল হক, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামূল হক টিটু, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক একেএম শফিফুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এহতেশামূল আলম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী, তারাকান্দা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইন, কোতেয়ালী বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, মহানগর জাতীয়পার্টির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ হাফিজুর রহমান, নিহতের একমাত্র ছেলে খালিদ ইবনে ওয়ালিদ বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন। এছাড়া শহরের বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রশাসনিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসল্লীগণ নামাজে জানাযায় উপস্থিত হয়ে মরহুমের আত্বার মাগফেরাত কামনা করেন। এর আগে মরহুমের লাশ আঞ্জুমানে রাখা হলে বিভিন্ন শ্রেণী পেশা ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

টি.কে ওয়েভ-ইন

Print Friendly, PDF & Email