Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

ময়মনসিংহে পৃথক বন্ধুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী ও গণধর্ষণ মামলার মুলহোতা নিহত

আপডেটঃ 8:05 pm | August 06, 2019

স্টাফ রিপোর্টার ॥

ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ও ফুলবাড়িয়া থানা পুলিশের পৃথক বন্ধুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী এবং গণধর্ষণ মামলার মুলহোতা নিহত হয়েছে।

নিহত মাদক ব্যবসায়ী হলেন পাটগুদামের জনি মিয়া ফুলবাড়িয়ার কৈয়ারচালা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে জহিরুল ইসলাম। এ সময় দুইশত গ্রাম হেরোইন, পাইপগান ও ছোরা উদ্ধার করা হয়। এ সময় এক এসআইসহ দুই পুলিশ আহত হয়েছে। নিহতের লাশ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ মর্গে এবং আহতদেরকে পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ডিবির ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, রবিবার রাতে বিশেষ অভিযানকালে খবর আসে জেলা সদরের চরপুলিয়ামারি এলাকায় একদল মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারী অবস্থান করে মাদকের বিশাল চালান ক্রয়বিক্রয়সহ বড় ধরণের নাশকতার পরিকল্পনা করছে।

আহত মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারী (পরবর্তীতে নিহত) নাম ও ঠিকানাঃ- মোঃ জনি মিয়া (২৬), পিতা- মোঃ জয়নাল আবেদীন, সাং-পাটগুদাম, থানা-কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহ।

এ সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি’র একটি টিম তাদেরকে গ্রেফতারে অভিযানকালে মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে অতর্কিতভাবে গুলি ও ইটপাটকেল ছুরতে থাকে। এতে দুইজন পুলিশ সদস্য আহত হয়। পুলিশ সরকারী সম্পদ ও আতœরক্ষার্থে শর্টগানের গুলি করে। এক পর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীরা গুলি করতে করতে পালিয়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে মাদক ব্যবসায়ীও ছিনতাইকারী জনি মিয়া নামে একজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। পুলিশ আহত জনির কাছ থেকে দুইশত গ্রাম হেরোইন ও একটি ষ্টিলের ছোরা উদ্ধার করে। আহত মাদক ব্যবসায়ী জনিকে কোতোয়ালী থানা পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হলে, কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে ১১টি মামলা রয়েছে। এছাড়া আহত এসআই আক্রাম হোসেন ও মতিউর রহমানকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অপরদিকে ফুলবাড়িয়া থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার জানান, রবিবার দায়েরকৃত একটি গণধর্ষণ মামলার আসামি জহিরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা উপজেলার পাটিরা এলাকার কালাদহ ঈদগাহ এলকায় ররিবার রাতে অবস্থান করছে, এ ধরণের খবরে পুলিশের একটি বিশেষ টিম ঐ এলাকায় অভিযানে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ধর্ষকচক্র পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাথারী গুলি ছুরে। পুলিশ আত্বরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুরলে ধর্ষকচক্র দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় একজন আসামীকে ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় জহিরুল ইসলাম নামে একজনকে একটি পাইপগানসহ উদ্ধার করা হয়। আহত জহিরুল ইসলামকে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি ফিরোজ তালুকদার আরো বলেন, গত শনিবার কৈয়ারচালার জহিরুল ইসলাম প্রেমিক সেজে বেড়ানোর কৌশলে এক কিশোরীকে ডেকে নিয়ে কয়েক বন্ধুদের নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে আখক্ষেতে ফেলে পালিয়ে যায়। এঘটনায় রবিবার কথিত প্রেমিক সিরাজুল ইসলাম, তার বন্ধু সাইদুল ও ফারুকসহ তিনজনের নামে ৬(৮)১৯ মামলা নং হয়। ধর্ষকদের গ্রেফতারে পুলিশ রবিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। রাতে খবর পেয়ে পাটিরা কালাহদ ঈদগাহ মাঠ এলাকায় অভিযানে গেলে ধর্ষকচক্রের সাথে বন্ধুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এতে গণধর্ষণের মূলহোতা জহিরুল ইসলাম নিহত হন।

টি.কে ওয়েভ-ইন

Print Friendly, PDF & Email