Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

ব্রেকিং নিউজঃ

স্কুলছাত্রীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় গৌরীপুরের দুই জহিরুল কারাগারে!

আপডেটঃ 9:07 pm | August 06, 2019

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি :
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে স্কুলছাত্রীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় মঙ্গলবার (৬ আগস্ট/১৯) আরো এক জহিরুল ইসলাম জনিকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। সে অচিন্তপুর ইউনিয়নের অচিন্তপুর গ্রামের মো. আব্দুস সালাম ফকিরের পুত্র।

অপরদিকে একই ঘটনায় আরেক জহিরুল ইসলামকে গত রোববার (২৮ জুলাই/১৯) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করে ময়মনসিংহ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেছিলো গৌরীপুর থানার পুলিশ। এ জহিরুল অচিন্তপুর ইউনিয়নের চড়াকোনা গ্রামের শমসের আলীর পুত্র।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চড়াকোনা গ্রামের শমসের আলীর পুত্র জহিরুল ইসলাম বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ধারা জবানবন্দিতে তিনি ঘটনায় জড়িত নন স্বীকার করেন। এ ঘটনায় অচিন্তপুর গ্রামের সালাম ফকিরের পুত্র জহিরুল ইসলাম জনি জড়িত মর্মে স্বীকারোক্তি দেন। গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল ইসলাম মিয়া জানান, গ্রেফতারকৃত জহিরুল ইসলামের স্বীকারোক্তিতে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে জহিরুল ইসলাম জনিকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ দিকে মঙ্গলবার (৬ আগস্ট/১৯) ছুরিকাঘাতে আহত ছাত্রী পাপিয়া সুলতানা হাসি ও তার বাবা মো. আবুল হাশিম ময়মনসিংহের বিজ্ঞ নোটারী পাবলিকে এফিডেভিট মূলে স্বীকারোক্ত দেন জহিরুল ইসলাম জনি তার ঘটনায় জড়িত নয়। গ্রেফতারকৃত জহিরুল ইসলাম ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ জহিরুল ইসলাম জনিকে ফাঁসাতেই ১৬৪ধারায় তার নাম বলে নিজেকে বাঁচাতে চায়।

অপরদিকে এক মামলায় দুই জহিরুল ইসলামের গ্রেফতারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় বিজ্ঞ আদালতে আজ বুধবার (৭ আগস্ট/১৯) শুনানী হওয়ার জন্য তারিখ ধার্য্য হয়েছে।
ঘটনার সূত্রে জানা যায়, একই ক্লাসের এক বান্ধুবীকে প্রতিনিয়ত যৌন হয়রানি করে আসছিলো মো. জহিরুল ইসলাম (৪০)। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাক্ষ্য দেয় পাপিয়া সুলতানা হাসি। সে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের ডক্টর এম.আর করিম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী। সাক্ষ্য দেয়ার কারণেই জহিরুলের আক্রোশের শিকার হয় সে।

প্রতিশোধ নিতে পরিকল্পিতভাবেই বৃহস্পতিবার (২৫জুলাই/১৯) ভোরে বাড়ি থেকে প্রাইভেটে আসার পথে হাসির গতিরোধ করে জহিরুল ইসলাম যৌন নির্যাতনের চেষ্টা চালায়। এতে বাঁধা দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে হত্যার চেষ্টায় তাকে ছুরিকাঘাত করে। ছুরির ঘাঁই লেগে পেটের কিছু অংশ কেটে যায়। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার বাবা আবুল হাসিম বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল ইসলাম মিয়া গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিজে অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রাম পুলিশের সহায়তা জহিরুলকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করেন।

টি.কে ওয়েব-ইন

Print Friendly, PDF & Email