Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

গৌরীপুরে বড় ষাঁড়ের বিক্রি নেই-ছোট’র কদর বেশি ॥লালচানের দাম কেউ জিগাইলো না!

আপডেটঃ 12:10 am | August 11, 2019

প্রধান প্রতিবেদক :
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে শনিবার (১০ আগস্ট/১৯) ছিলো কুরবানীর গরুর হাটের শেষ দিন। বিপুল পরিমাণ গরু আসলেও সেই অনুপাতে ক্রেতা আগমন ঘটেনি। ছোট ষাঁড়ের দাম বেশি, বেচাও বেড়েছে।

তবে বড় ষাঁড়ের ক্রেতা নেই! মনের কষ্টে আক্ষেপ করে কৃষক আব্দুস সাত্তার বলেন, “আমার ‘লালচান’র দাম কেউ জিগাইলো না।”


সরজমিনে দেখা যায়, গৌরীপুর প্রধান কুরবাণীর হাট গৌরীপুর আর.কে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্ধারিত মাঠ ছাড়িয়ে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামেও চলে গেছে। হাটের প্রধান আকর্ষণ ছিলো মাঠের পূর্বপ্রান্তের দেয়ালঘেঁষে দাঁড়ানো লালরঙের একটি ষাঁড়। যার দাম চাওয়া হচ্ছে চার লাখ। ওজন প্রায় ৫শ কেজি। ষাঁড়ের মালিক রামগোপালপুর ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তার। তিনি জানান, দুই বছর পূর্বে ৯০হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করেছেন। খরচ হয়েছে প্রায় দেড় লাখ বা তার চেয়েও বেশি। সন্ধ্যা হয়ে গেছে এখন পর্যন্ত কেউ দাম জিগাইলো না! আক্ষেপ করে তিনি বলেন, আদর আর ভালোবাসা দিয়ে বড় করেছি, নাম রেখেছি লালচান।

অপরদিকে পুর্বদাপুনিয়া গ্রামের আলতাফ হোসেন জানান, ৪০হাজার থেকে ৭০হাজারের মধ্যে গরুর বেচা-বিক্রি ভালো। মাত্র দু’চারটি গরু লাখ টাকার উপরে বিক্রি হয়েছে। বিকাল বেলায় অবশ্য গরু বিক্রি কিছুটা বাড়লেও কাঙ্খিত দাম পাচ্ছেন না কৃষক। সতিশা গ্রামের মো. আব্দুল্লাহ মিয়া জানান, গরু লালন-পালন করে এখন আর লাভ নেই। গো খাদ্যের দাম বেড়েছে, বাজারে সে অনুপাতে গরুর দাম বাড়েনি।
এদিকে সন্ধ্যার পরপরই বিভিন্ন যানবাহনে অসংখ্য কুরবানীর গরু ফিরিয়ে নেয়ার দৃশ্য চোখে পড়ে। শ্যামগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন এলাকার আব্দুল কদ্দুসের পুত্র জয়নাল আবেদিন জানান, ৩টি এনেছিলাম, একটি বিক্রি হয়েছে। দুটি ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। বোকাইনগর ইউনিয়নের বড়ভাগের ক্ষুব্দ কৃষক নুর আলী জানান, গরু আনতে ৩হাজার টাকা খরচ হয়েছে, নিতে আরো ৩হাজার। ষাঁড় পালন আর বিষখাওয়া এক কথাই!

টি.কে ওয়েভ-ইন

Print Friendly, PDF & Email