Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

ব্রেকিং নিউজঃ

পূর্বধলায় ধর্ষিত কলেজছাত্রীর মৃত্যু ॥ মূলহোতা গ্রেফতার

আপডেটঃ 10:56 pm | August 27, 2019

প্রধান প্রতিবেদক :
নেত্রকোণা জেলার আবু আব্বাছ কলেজের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী বই কিনতে এসে বুধবার (২১আগস্ট/১৯) শ্যামগঞ্জ বাজার থেকে অপহরণের শিকার হন। অপহৃত কলেজ ছাত্রী রাতভর ধর্ষণের শিকার হয়। বৃহস্পতিবার সকালে ওই মেয়ের মাকে দেখে শ্যামগঞ্জ রেলগেইট এলাকায় কলেজছাত্রীকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় আলমগীর হোসেন।
উদ্ধারের পর কলেজছাত্রীকে বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট/১৯) নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আনা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (২৫ আগস্ট/১৯) মারা যায় কলেজ ছাত্রী ইয়াসমিন আক্তার।
মামলার পরপরই ধর্ষণের অভিযোগে মূল আসামী আলমগীরকে গ্রেফতার করেছে পূর্বধলা থানার পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মিজানুর রহমান।
ইয়াসমিন ট্রাজেডির পরের দিন এবার আরেক ইয়াসমিনের মৃত্যু! ২৪ বছর আগে ১৯৯৫সালে ২৪আগস্ট দিনাজপুরে পুলিশ সদস্যের হাতে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়েছিল ইয়াসমিন। তখন থেকেই এ দিনটি সারাদেশে ‘নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
এবার আরেক ইয়াসমিনকে বই কিনতে এসে জীবন দিতে হলো নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলায়। নিহত কলেজ ছাত্রী পূর্বধলা উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের খামারহাটি গ্রামের খুরশেদ আলমের কন্যা।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জান যায়, নেত্রকোনা আবু আব্বাছ কলেজের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ইয়াসমীন আক্তার বুধবার (২১ আগস্ট/১৯) বই কিনতে শ্যামগঞ্জে আসে। পূর্বপরিচিত শ্রীপুর গ্রামের হাসিম উদ্দিনের পুত্র নূরুল ইসলাম শ্যামগঞ্জ জালশুকা কুমুদগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের গেইট থেকে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করে। এরপর তাকে তারাকান্দা উপজেলা সদরের এক ভাড়া বাসায় বাসায় নিয়ে রাতভর ধর্ষন করে।
এদিকে কলেজ ছাত্রীর সন্ধানে তার মা ও মামা আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ খবর নেন। পরেরদিন বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট/১৯) সকালে খবর পান কলেজছাত্রীর সঙ্গে আলমগীর হোসেন শ্যামগঞ্জ এলাকায় রয়েছে। খবর পেয়ে তার মা নাছিমা খাতুন শ্যামগঞ্জ রেলগেইট এলাকায় আসতেই মেয়েকে রেখে পালিয়ে যায় আলমগীর হোসেন। মেয়ের শারীরিক অবস্থা খারাপ দেখে প্রথমে তাকে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায় পরিবারের লোকজন। এরপর অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে ৩দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে রোববার (২৫ আগস্ট/১৯) শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।
এ ঘটনায় পূর্বধলা থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলা দায়েরের পরপর পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পূর্বধলা থানার ওসি (তদন্ত) মিজানুর রহমান জানান, কলেজ ছাত্রী মৃত্যু ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। মূল আসামীকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email