Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

রেস্তোরাঁয় বিস্ফোরণের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

আপডেটঃ 12:24 pm | September 08, 2019

গাজীপুর প্রতিনিধি :

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বোর্ডবাজার এলাকায় রাধুনী নামের রেস্তোরাঁয় বিস্ফোরণে তিনজন দগ্ধসহ ১৮ আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশংকাজনক। শনিবার মধ্যরাতে ঘটা ওই বিস্ফোরণে রেস্তোরাঁটির সামনের অংশ ভেঙে যায়।

এ বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তে গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহিনুর ইসলামকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। তদন্ত কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

টঙ্গী ফায়য়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার আতিকুর রহমান ও স্থানীয়রা জানান, রাত ২টার দিকে বোর্ডবাজার এলাকার তিনতলা ভবেনের নিজ তলায় অবস্থিত রাঁধুনী রেস্তোরাঁয় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণে রাঁধুনী রেস্তোরাঁটির সামনের ও পার্শ্ববর্তী তৃপ্তি হোটেলের একাংশ ভেঙে যায়। এ ছাড়া ওই ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার বাইরের অংশের গ্লাস এবং মহাসড়কের অপর পাশের মসজিদের  গ্লাস ও একটি মাইক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এ ঘটনায় দগ্ধসহ ওই ১৮ জন আহত হয়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে তায়রুন্নেসা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাপাতালে পাঠায়। সেখান থেকে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপালে রেফার করা হয়।

স্টেশন অফিসার আতিকুর রহমান জানান, খবর পেয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে সামন্য আগুন পাওয়া যায়। তা নেভানো হয়। এ সময় ওই ভবনের দোতল আইএফআইসি ব্যাংকে আটকে পরা একজনকে উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, ওই রেস্তেুারাঁয় গ্যাস লাইন এবং সিলিন্ডার গ্যাস উভয়ই ব্যবহার করা হয়। সিলিন্ডার অক্ষত পাওয়া গেছে। গ্যাস লাইন বা সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে নির্গত গ্যাসে অগ্নিসংযোগ পেয়ে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ  হাসপালের পুলিশ ফাঁড়ির নায়েক মোজাম্মেল হোসেন জানান, গাজীপুরের বিস্ফোরণের ঘটনায় ১৮ জনকে এ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজন দগ্ধ। একজনের অবস্থা গুরুতর।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম জানান, বোর্ডবাজারের ঘটনা তদন্তের জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি কমিটি করা হয়েছে। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জানা গেছে, তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—গাজীপুর মহানগর পুলিশ, তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস ও বিস্ফোরক অধিদপ্তরের একজন করে প্রতিনিধি।

টি.কে ওয়েভ-ইন

Print Friendly, PDF & Email