Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

প্রশংসায় ভেসে যাচ্ছে সিনেমা, ভেসে যাচ্ছে জ্যোতিকা জ্যোতি

আপডেটঃ 6:01 pm | September 29, 2019

বাহাদুর ডেস্ক :

কথা ছিল ২০ সেপ্টেম্বর কলকাতায় মুক্তি পাবে জ্যোতিকা জ্যোতির সিনেমা ‘রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত’। দেশের বাইরের প্রথম সিনেমা মুক্তির আগে বেশ ফুরফুরে মেজাজেই ছিলেন জ্যোতি। ঢাকঢোল পিটিয়েই ঢাকা-কলকাতা যাতায়াত করছিলেন। সিনেমা মুক্তির কয়েক দিন আগে থেকেই কলকাতায় ঘাঁটি গেড়ে বসেছেন। অংশ নিয়েছেন প্রচারেও। সবকিছু ঠিকই চলছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই সিনেমা মুক্তির ঠিক আগে ‘রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত’ পরিবারে আঁধার নেমে আসে। কলকাতায় হল পায়নি রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত। ম্লান হয়ে পড়ে জ্যোতির মুখও। কিন্তু সেই ম্লান মুখ বেশিক্ষণ ম্লান থাকেনি। প্রতিবাদে সরব হয়ে উঠেছিলেন সিনেপ্রেমীরা। ফলাফল আঁধার কেটে আলোয় ভাস্বর হয়ে ওঠেন জ্যোতিকা জ্যোতি। ২৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার স্বনামধন্য হলগুলোতে মুক্তি পায় ‘রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত’।

এ বিষয়ে জ্যোতি বলেন, ‘সিনেমা মুক্তির ঠিক আগে আমরা যখন হল লিস্ট পেলাম, তখন পরিচালকসহ সবাই অবাক হয়েছিলাম। কারণ হলসংখ্যা মাত্র সাতটি। তাও আবার কলকাতা শহরে একটি হলও নেই। এরপরই প্রদীপ্ত দা ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। সেই পোস্টের পর আমরা কলাকুশলীরাও ফেসবুকে পোস্ট দিই। আমাদের ভাগ্য ভালো, আমাদের পাশে কলকাতার সাংবাদিক থেকে শুরু করে সব ধরনের সিনেপ্রেমী দর্শকেরা পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। অবস্থা বেগতিক দেখে হল কর্তৃপক্ষ নিজেরাই ফোন দেয়। তারা অনুরোধ করে সিনেমাটি এক সপ্তাহ পিছিয়ে দিলে তারা ভালো ভালো হল দেবেন। সেই কারণে সিনেমাটির মুক্তির তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারা এও বলেছেন, সিনেমাটি যদি ভালো চলে, তাহলে সামনে পূজা পর্যন্ত তারা সিনেমাটি দেখাবেন।’

শুরুর দিকে হল না পাওয়া সিনেমাটিই এখন ভালো যাচ্ছে। ফেসবুকে তাকালেও দেখা যাচ্ছে ‘রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত’র প্রশংসা। অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতির ফেসবুকে উঁকি দিতেই দেখা গেল, প্রশংসায় ভেসে যাচ্ছে সিনেমা, ভেসে যাচ্ছেন জ্যোতিকা জ্যোতি।

প্রথমবার দেশের বাইরের সিনেমায় অভিনয় করে এত সাড়া পাবেন তা ভাবেননি জ্যোতিকা জ্যোতি। তাই,  সিনেমার খবর জানতে চাইলে উচ্ছ্বসিত জ্যোতি নিজে কিছু না বলে চোখ রাখতে বললেন ফেসবুকে। বললেন, ‘রিভিউ দেখো, উত্তর পেয়ে যাবে।’

কলকাতার সব ধরনের গণমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে সিনেমাটির ইতিবাচক রিভিউ। অনেক দর্শক ফেসবুকেও প্রশংসা করছেন। মণিশঙ্কর মাহাতো নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য-কে কিছু বলার নেই জাস্ট।প্রতিটা দৃশ্য এত নিখুঁত, হাঁ করে গিলে যেতে হয়। ঋত্বিকদার কথা নতুন করে বলার নেই। জ্যোতিকাদি-কে আজ একজন বললেন, ‘তুমি টলিউডে আসতে বড্ড দেরি করে দিলে। এদ্দিন কেন আসোনি?’ আর জে সায়নকে দেখে মুগ্ধ হতে হয়। অপরাজিতাদিকে দেখলে আফসোস লাগে, প্রদীপ্তদা ছাড়া কেউ সেভাবে তাকে ব্যবহার করতেই পারলেন না।’’

মৌনা নামের একজন লিখেছেন, ‘প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যের এই কাহিনি, চিত্রনাট্য, সম্পাদনা এবং পরিচালনা সব ক্ষেত্রেই ওই জাদু বাস্তব ছুঁয়ে দিয়েছেন আবেগ গুলোকে। নইলে ওই যে আমরা ফিরে যেতাম না, রোজ মরে যাওয়া মানুষগুলোর আমরণ প্রেমের একমাত্র গোপন কথা হল সব হারিয়েও এক কবরে শুয়ে ভালোবাসতে পারা।’

উল্লেখ্য, শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে ‘রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত’। সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন ঋত্বিক চক্রবর্তী, জ্যোতিকা জ্যোতি, রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় ও অপরাজিতা ঘোষ।

টি.কে ওয়েভ-ইন

 

Print Friendly, PDF & Email