Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

ব্রেকিং নিউজঃ

যুবলীগ থেকে বহিষ্কার কাউন্সিলর রাজীব

আপডেটঃ 10:41 am | October 20, 2019

বাহাদুর ডেস্ক :

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর রাজীব ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন।

মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটির বাসিন্দা রাজীব ঢাকা উত্তরের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের (মোহাম্মদপুর-বসিলা এলাকার) কাউন্সিলর। পাশাপাশি যুবলীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তিনি। এছাড়া মোহাম্মদপুর থানা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

এদিকে, শনিবার রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে রাজীবকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। গ্রেফতারের পর তাকে দ্বিতীয়বারের মতো বহিষ্কার করে যুবলীগ।

জানা গেছে, ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ পেয়েই থানা আওয়ামী লীগের এক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধাকে প্রকাশ্যে জুতা পেটাসহ লাঞ্ছিত করেন। সে সময় যুবলীগ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, তারেকুজ্জামান রাজীব মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে বহিষ্কারাদেশ বাতিল করে উল্টো ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বনে যান। কেন্দ্রীয় যুবলীগের আলোচিত দপ্তর সম্পাদক আনিসুর রহমানকে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা দিয়ে এ পদ কেনেন রাজীব।এরপরই যুবলীগের সাইনবোর্ড আর কাউন্সিলরের পদটি ব্যবহার করে এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে চাঁদাবাজি, দখলবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসা, ডিশ ব্যবসাসহ নানা মাধ্যমে হয়ে উঠেন আরো দুধর্ষ ও বেপরোয়া।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয়রা জানায়, রাজীব বর্তমানে প্রায় শতকোটি টাকার মালিক। অথচ ২০১৩ সালে মোহাম্মদপুরের মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটির একটি বাড়ির নিচতলার গ্যারেজের পাশেই ছোট্ট এক বেডরুমের ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন তারেকুজ্জামান রাজীব। ছোট ফ্ল্যাটটির দাম ছিল ৬০০০ টাকা।

বর্তমানে মোহাম্মদপুর, বেড়িবাঁধ, বসিলা এলাকার পরিবহনে চাঁদাবাজি তার নিয়ন্ত্রণে। অটোরিকশা, লেগুনা, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও বাস থেকে প্রতিদিন প্রায় ২-৩ লাখ টাকা চাঁদা যায় তার পকেটে। পাঁচ বছর ধরে এলাকার কোরবানির পশুর হাটের ইজারা নিচ্ছেন তিনি।

তারেকুজ্জামান রাজিব কাউন্সিলর হওয়ার পরপরই সম্পূর্ণ বদলে যায় তার জীবন। চালচলনে আসে ব্যাপক পরিবর্তন। কোথাও গেলে সঙ্গে থাকে গাড়ি আর মোটরবাইকের বহর। রাস্তা বন্ধ করে চলে এসব গাড়ি। রোদে গেলে আশেপাশের কেউ ধরে রাখে ছাতা। সঙ্গে ক্যাডার বাহিনী তো আছেই। মাত্র চার বছরে মালিক বনে গেছেন অঢেল সম্পত্তি, গাড়ি আর বাড়ির।

রাজীবের বিষয়ে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. ক. সারোয়ার বিন কাশেম বলেন, তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ, চাঁদাবাজি এবং দখলদারিত্বের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। অভিযানে তার বসুন্ধরার বাসা থেকে একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, তিন রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়।

টি.কে ওয়েভ-ইন

Print Friendly, PDF & Email