Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

গৌরীপুরে বিদ্যুতের লো-ভোল্টিজ-অতিরিক্ত বিলের প্রতিবাদে গ্রাহকদের বিক্ষোভ

আপডেটঃ 5:46 pm | November 07, 2019

প্রধান প্রতিবেদক :
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার মেসিডেঙ্গী গ্রামে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিদ্যুতের লো-ভোল্টিজ, বাঁশের খুঁটি ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইন অপসারণ, উচ্চ ক্ষমতাসম্পণ ট্রান্সফরমার স্থাপনের দাবি ও অতিরিক্ত বিলের প্রতিবাদে বুধবার (৬ নভেম্বর/১৯) গ্রাহকরা আবাসিক বিদ্যুৎ প্রকৌশলীর কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

বক্তরা জানান, আজব আর গজবমার্কা বিদ্যুৎ বিল দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। এ থেকে আমরা মুক্তি চাই। গ্রাহক সমাবেশ মেসিডেঙ্গী গ্রামের আব্দুস সালামের পুত্র কাজল মিয়া জানান, মিটার বন্ধ তারপরেও আমাকে বিদ্যুৎ বিল দেয়া হচ্ছে। একই গ্রামের আব্দুল হাইয়ের পুত্র মোঃ সুজন মিয়া জানান, বিদ্যুৎ বিল দেয়া হয়েছে ৭হাজার ৮৯০ইউনিটের। যা ব্যবহৃত মিটার বিলের অনেক বেশি। দসতর আলীর পুত্র কৃষক মোঃ ছাবেদ আলী জানান, আমরা একটি হাওয়াই বিল পেয়েছি, জিরো ইউনিট লিখে বিল দেয়া হয়েছে ৪হাজার টাকা। শতাধিক গ্রাহকের নিকট থেকে শূন্য ইউনিটে ৪/৫লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিভাগ লুট করে নিয়েছে।
এদিকে রামগোপালপুর ইউনিয়নের চরশ্রীরামপুর গ্রামের জমশেদ আলীর পুত্র আব্দুল গফুর জানান, তারা মিটার নিয়ে এসেছে। তারপরে দু’লাখ টাকার ওপরে বিদ্যুৎ বিল লিখে মামলা করে দিয়েছে। বিদ্যুতের যন্ত্রণা থেকে একমাত্র মুক্তির পথ ‘আত্মহত্যা’ করা। আজ এসেছি বিজ্ঞ আদালতের রায় নিয়ে সেটাও আবাসিক প্রকৌশলী আমলে নেয়নি। কথা না শোনেই অফিস থেকে চলে গেছেন।
অপরদিকে মেসিডেঙ্গী গ্রামের আব্দুল হেকিমের পুত্র মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, মিটার না দেখেই করা হচ্ছে বিদ্যুৎ বিল। অভিযোগ করতে অফিসে আসলাম। তিনিও (আবাসিক প্রকৌশলী) কথা না শোনেই চলে গেছেন। এ গ্রামের দোকানকার আব্দুর রাজ্জাক অভিযোগ করেন, লো-ভোল্টেজের কারণে বাড়ির ফ্যান পুড়ে গেছে, বাল্ব লাগালেই ফিউজ হয়ে যাচ্ছে। আমার আধুনিক সেলাই মেশিনের যন্ত্রাংশও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে মুক্তি চাই।

বাঁশের খুঁটিতে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ লাইনের তারে জড়িয়ে মারা গেছে নায়েব আলীর পুত্র মোঃ শুক্কুর আলীর ৭০হাজার টাকা মূল্যের গাভী। তিনি জানান, আজ আমার গাভী মারা গেছে। আমরা আতঙ্কিত কখন, কে মারা যায়। বারবার বলার পরেও ঝুঁকিপূর্ণ লাইনের সংস্কার হচ্ছে না। সোহেল মিয়া জানান, ২শ টাকার বিদ্যুৎ খরচ করি না, বিল দেয়া ৩হাজার। বিদ্যুৎ বিভাগের ভুতুড়ে বিলের যন্ত্রণা থেকে অবসান চাই।
এ ব্যাপারে উপজেলা আবাসিক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মোঃ তহুর উদ্দিন জানান, অচিরে লো-ভোল্টেজের সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। মিটার-রিটারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে মিটার দেখে বিল করতে। উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক থাকায় চলে গেয়েছিলাম। তবে তাদের সব বক্তব্য শোনেছি।

টি.কে ওয়েভ-ইন

Print Friendly, PDF & Email