Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

প্রকাশ্যে দিন দুপুরে হাতিরপালের মহরা বকশিগঞ্জে গ্রামবাসী হাতি আতঙ্কে

আপডেটঃ 3:21 pm | November 20, 2017

বকশিগঞ্জ থেকে আশরাফুল হায়দার: বকশিগঞ্জ গারো পাহাড়ে প্রাকৃতিক বনায়ন করার দরুণ হাতির আবাসস্থল বিনষ্ট হয়ে গিয়েছে। হাতির বাসস্থান ও খাদ্য সংকট তীব্রতর হওয়ায় ক্ষুধার্ত হাতি পাল ক্ষেপে গিয়ে সময়ে অসময়ে খাদ্যের সন্ধানে পাহাড়ে রোপিত ফসলাদি খেয়ে পদদলিত করে তছনছ করে থাকে। অনেক সময় অভুক্ত ক্ষেপা হাতি পাল পাহাড়ী বাড়ীঘরে হানা দিয়ে গোলার ধান চাল শষ্যদানা খেয়ে সাবার করে ফেলে। বাড়ীঘর ভাংচুর সহ বাড়ীর গাছপালা বিনষ্ট করে ফেলে। পাহাড়ে বসবাসরত আদিবাসীদের ভাষ্য যখন থেকে প্রাকৃতিক গাছগাছালী পাহাড় থেকে বিনষ্ট হতে শুরু করেছে তখন থেকেই হাতির তান্ডবও শুরু হয়েছে। পূর্বে পাহাড়ে হাতির খাদ্যোপযোগী গাছগাছালী লতা গ্লুমের অভাব ছিলনা। ঝর্ণায় ছিল স্বচ্ছ পানি। হাতি পাল মনের আনন্দে পাহাড়ে গাছগাছালী লতা গ্লুম খেয়ে ঝর্ণার পানিতে জলকেলি করতো। হাতির প্রধান খাদ্য ছিল কলাগাছ। বর্তমান সময়ে পাহাড় থেকে কলাগাছ বিলীন হয়ে পরেছে। সরকারি বেসরকারি ভাবে পাহাড়ে প্রাকৃতিক গাছগাছালী বিনষ্ট করে পরিবেশ বিধ্বংসী বৃক্ষ রোপন সহ রীতিমত ফসলাদির চাষাবাদ হয়। সরকার বাহাদুর হাতির খাদ্যোপযোগী বৃক্ষ রোপন না করে উল্টো হাতি পাহাড়ে অবাধে চলাফেরার বাঁধা সৃষ্টি করতে ইলেকট্রিক ফাঁদ পেতে অভুক্ত হাতি তাড়ানোর বিহীত ব্যবস্থা করেছে। এতেকরে হাতি অবাধে চলাফেরা বাঁধা সৃষ্টি হওয়ায় অভুক্ত হাতি পাল ক্ষেপে গিয়ে সময়ে অসময়ে লোকালয়ে খাদ্যের সন্ধানে এসে থাকে। এসময় হাতি ও মানুষের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। হাতির আক্রমণে বিগত বছরে বেশ কয়েকজন মৃত্যু সহ অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করেছে।
গতকাল ২০ নভেম্বর দুপুর গড়তেই সরেজমিনে দেখাগেছে, বকশিগঞ্জ সীমান্তের কাছেই শ্রীবরদী থানার গারো পাহাড় অংশ ঝুলগাঁও পাহাড়ী টিলা বিশাল হাতি পালের মহরা দেখে সীমান্ত গ্রামবাসী আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পরেছে।

Print Friendly, PDF & Email