Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

ব্রেকিং নিউজঃ

সেতু নয়, যেনো হাট !

আপডেটঃ 2:59 pm | March 13, 2018

নিজস্ব প্রতিবেদক:

একসময় ব্যস্ততম ছিল সেতুটি। এ সেতু দিয়ে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ সড়কে যানবাহন চলাচল করত। যান চলাচলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাওয়ায় সেতুটির পাশে নতুন আরেকটি সেতু নির্মাণ করা হয়। পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে পুরনো সেতুটি। নতুন সেতু ধরেই চলছে যানবাহন। পাশাপাশি দুটি সেতু হওয়ায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পুরনো সেতু দিয়েই তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেত। সম্প্রতি সেতুর অর্ধেক অংশ দখল করে বসেছে দোকানপাট। এটি দখল করে দোকান বসলেও মুক্ত করতে উদ্যোগ নেই কারও।

ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা সদর দিয়ে বয়ে যাওয়া কাঁচামাটিয়া নদী পার হয়ে চলাচল করে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ চলাচলকারী যানবাহন। সড়কের ঈশ্বরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ এলাকায় রয়েছে সেতু। পাশাপাশি দুটি সেতুর একটি সচল, অন্যটি পরিত্যক্ত। পরিত্যক্ত সেতুটি দিয়ে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা সদরের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের অন্তত ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিরাপদে চলাচল করত। মহাসড়কে সবসময় দ্রুতগতির যান চলাচল করায় পুরনো সেতুটি ধরেই শিক্ষার্থীরা বেশি যাতায়াত করে। সম্প্রতি পুরনো সেতুর প্রায় অর্ধেক অংশ দখল হয়ে গেছে। কাগজ টানিয়ে বেশ কয়েকটি দোকান বসেছে সেতুটির দু’পাশেই। সেতুতে দোকান বসে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা সেটি দিয়ে চলাচলে নিরাপদ বোধ করে না এখন। উত্ত্যক্তের শিকার হতে হয় তাদের। সেতুটি দখলমুক্ত করতে পৌরসভা বা উপজেলা প্রশাসন কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না।

সড়কে চলাচলকারী কয়েক শিক্ষার্থী জানায়, সেতুটি আগে উন্মুক্ত ছিল। নিরাপদে যাওয়া-আসা করা যেত স্কুল-কলেজে। তবে সেটিতে কাগজ টানিয়ে দোকান বসে যাওয়ায় তারা আগের মতো স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে না।

ঈশ্বরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম খান বলেন, কিছুদিন ধরে সেতুটির প্রায় অর্ধেক অংশে দোকানপাট বসে গেছে। এগুলোর কারণে ছাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে না। বিষয়টি তিনি কয়েক দফা আইন-শৃঙ্খলা সভায় উত্থাপনও করেছিলেন। তিনি বলেন, সেতুর ওপর দোকানগুলো সরিয়ে এটির সংস্কার করে শিক্ষার্থীদের চলাচলের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

ঈশ্বরগঞ্জের পৌর মেয়র মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস ছাত্তার বলেন, সেতুর ওপরে দোকানপাট থাকতে পারে না। বিষয়টির ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিস শরমিন বলেন, সেতু থেকে দোকানপাট সরে যাক, এটি আমিও চাই। তবে যেহেতু এটি পৌর এলাকায়, সে জন্য মূল

উদ্যোগটি নিতে হবে পৌর কর্তৃপক্ষকেই। পৌরসভা চাইলে তারা সহযোগিতা করে অব্যবস্থাপনা রোধে কাজ করবেন।

Print Friendly, PDF & Email