Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

ব্রেকিং নিউজঃ

স্বাস্থ্যযত্ন ঘুমের শত্রু পাঁচ খাদ্যাভ্যাস!

আপডেটঃ 1:45 pm | March 25, 2018

বাহাদুর ডেস্ক:

কেবল কাজের চাপ বা দুশ্চিন্তার কারণেই কি ঘুম হচ্ছে না? রাতে টিভির রিমোট রেখে বালিশ ঠিকঠাক করে মাথা রাখলেন, এরপর ঘড়ির কাঁটা পার হলো রাত ১টা, ২টা এরপর ৩-এর কোঠা। তার পরও জেগে আছে হীরের দুটো চোখ। কোনো দুশ্চিন্তা বা চাপ নেই, পরম শান্তিতেই ঘুমিয়ে পড়তে চাইছেন, অথচ পারছেন না। এর অন্যতম কারণ হতে পারে আপনার খাদ্যাভ্যাস। নিজের অজান্তেই হয়তো এমন খাদ্যাভ্যাস মেনে চলছেন বা এমন নিয়মে খাচ্ছেন, যা প্রভাব ফেলছে আপনার ঘুমঘড়িতে।

রাতের খাবার আগেভাগেই
রাতের খাবার যারা বেশ আগেই সেরে ফেলেন, তাদের ক্ষেত্রে ঘুমে সমস্যা হতে পারে। কারণ যদি সাড়ে ৭টা বা ৮টা হয় আপনার রাতের খাবার গ্রহণের সময় আর ঘুমানোর সময় যদি হয় ১২টা, তবে ক্ষুধা আপনার ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতেই পারে। ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক ঘুম বিশেষজ্ঞ ও “দ্য স্লিপ ডক্টর’স ডায়েট প্ল্যান: লুজ ওয়েট থ্রু বেটার স্লিপ” বইয়ের লেখক মাইকেল ব্রিয়াসের মতে, পনির ও ক্র্যাকার ভালো বেডটাইম স্ন্যাকস। তবে নরম পনিরের চেয়ে শক্ত পনিরকে প্রাধান্য দেন তিনি। কারণ শক্ত পনিরে টাইরোসিনের পরিমাণ বেশি থাকে আর এ উপাদান ভালো ঘুমে সহায়তা করে। ব্রিয়াসের পরামর্শ অনুযায়ী, বেডটাইম স্ন্যাকসে ৬৫ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট, ৩৫ শতাংশ প্রোটিন ও ২৫০ ক্যালরি থাকা ভালো। রাতে খাওয়ার পর ও ঘুমানোর মধ্যবর্তী ঘণ্টাগুলোয় কম ফ্যাটযুক্ত দুধ ও সিরিয়াল খাওয়া যেতে পারে। তবে মধ্যরাতে খাওয়া থেকে বিরত থাকা ভালো, নয়তো গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা ও স্বাস্থ্যহানি হওয়ার আশঙ্কা থাকতে পারে।

দুপুরের কফি বিরতি
দুপুরে যখন অফিস ডেস্কে ফাইলের পর ফাইল জমে রয়েছে, তখন এক মগ গরম কফিই পারে শরীরটাকে কাজের জন্য ফের চাঙ্গা করে তুলতে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, এতে ব্যক্তি ভুগতে পারে ইনসমনিয়ার সমস্যায়। দিনে ২৫০ মিলিগ্রাম কফি পানকে পরিমিত বলে গণ্য করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতে নির্বিঘ্নে ঘুমিয়ে পড়তে চাইলে দুপুরে কফি পানের অভ্যাস ত্যাগ করা জরুরি।

ভারি রাতের খাবার
রাতে ভারি খাবার খেলে অস্বস্তি হতে পারে। বিশেষ করে ঘুমাতে যাওয়ার আগেই যদি ভারি খাবার গ্রহণ করা হয়, তবে ঘুমে অসুবিধা হতে পারে। সাধারণত খাওয়ার পর হাঁটাচলা বা বডি মুভমেন্টের মাধ্যমে খাবার সহজে হজম হতে পারে। কিন্তু খেয়েই যদি শুয়ে পড়া হয়, তবে শরীর খাবার হজম করতে অনেক বেশি সময় নেয় ও ঘুম দেরিতে আসে।

বাদ পড়ে যাচ্ছে যেসব খাবার
এমন কিছু খাবার রয়েছে, যা ভালো ঘুমে সহায়ক। বিকালে ভাজা-পোড়া খাবারের পরিবর্তে স্মুদি খাওয়া যেতে পারে। স্মুদিতে ব্যবহার করুন কলা ও চেরি। কলায় রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, যা ভালো ঘুমে সহায়ক। অন্যদিকে চেরি ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন উত্পাদনে সহায়ক। খেতে হবে সেরোটোনিন উত্পাদনকারী খাবার বাদাম ও আনারস। সেরোটোনিন হরমোন শরীর-মন শান্ত রাখে, ফলে ভালো ঘুম হয়।

ঘুমের আগে আইসক্রিম নয়
ফ্যাটবহুল দুগ্ধজাত খাবার ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল মেডিসিনে প্রকাশিত এক গবেষণায় এ কথা বলা হয়। কম ফাইবার, উচ্চমানের ফ্যাট ও চিনিবহুল খাবার ঘুমের শত্রু। ফ্যাটবহুল খাবার হজম হতে সময় নেয়। তাই ঘুমের আগে বেশি পরিমাণে আইসক্রিম ও চকোলেট না খাওয়াই ভালো।

Print Friendly, PDF & Email