Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে অবরোধের ডাক

আপডেটঃ 6:18 pm | June 30, 2018

বাহাদুর ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সারা দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন এবং অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার থেকে এ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনের যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদ খান।

তিনি বলেন, “সংবাদ সম্মেলনে বাধা ও হামলার প্রতিবাদে আগামীকাল থেকে সকল বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন এবং সারা দেশে বিক্ষোভ ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।”

এর আগে বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের সামনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাদের মারধর করে।
এতে আহত হন আন্দোলনকারীদের বেশ কয়েকজন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহতরা হলেন- ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ও কোটা আন্দোলনের যুগ্ম-আহ্বায়ক নুরুল হক নুর (২৪), আব্দুল্লাহ (২৩), আতাউল্লাহ (২৫), সাদ্দাম হোসেন (২৫), সাহেদ (২৫) এবং হায়দার।

আহতদের অভিযোগ, ছাত্রলীগ নেতারাই তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন।

ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া আরটিভি অনলাইনকে জানান, আহতদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে তা গুরুতর নয়।

 

পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান ও নূরুল হক নূর সেখানে ছিলেন। ওই সময় ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী এসে তাদের উপর হামলা চালান বলে অভিযোগ আন্দোলনকারীদের।

মারধরের এক পর্যায়ে হাসান আল মামুন ও ফারুক হাসান ওই স্থান থেকে সরে পড়েন। তবে নূরকে মাটিতে ফেলে বেদম পেটাতে দেখা যায়।

গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বেলা ১২টার দিকে আন্দোলনকারীদের আরেক নেতা পরিষদের সূর্যসেন হল শাখার আহ্বায়ক আরশ গ্রন্থাগার থেকে বের হলে তাকেও মারধর করা হয়। মাটিতে ফেলে উপর্যুপরি লাথি মারা হয় তাকে।

আরশকেও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আন্দোলনকারীদের কেউ গ্রন্থাগারের ভেতরে আশ্রয় নিয়েছে কি না, তা দেখতে কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী ভেতরে ঢুকলেও তাদের বের করে দেন গ্রন্থাগারের পরিচালক অধ্যাপক জাভেদ আহমেদ।

নূরকে মারার সময় ঠেকাতে গিয়ে অধ্যাপক জাভেদ আহমেদও আঘাত পান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। তবে সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসায় কিছু বলতে চাননি তিনি।

Print Friendly, PDF & Email