Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

ব্রেকিং নিউজঃ

টাওয়ার দেখতে গেলেন গৌরীপুরের ইউএনও ফারহানা করিম

আপডেটঃ 10:37 pm | September 06, 2018

স্টাফ রির্পোটার :
মেলা মানেই কৃষকের উৎসব, নূতন প্রযুক্তির বিনিময়। একজন কৃষকও নূতন পদ্ধতি বা প্রযুক্তি নিয়ে এ মেলায় প্রদর্শন করতে পারেন। সেই প্রযুক্তি সকল কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দেয়াই হলো মেলার উদ্দেশ্য। বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর/১৮) ৩দিনব্যাপী মেলার সমাপনি দিনে পরিদর্শনে এসব কথা বলেন। অনলাইন পোর্টাল দৈনিক বাহাদুর পত্রিকায় পানিতে সবজি চাষের নূতন এক পদ্ধতির নাম ‘টাওয়ার’। এ খবর দেখেই তিনি, টাওয়ার দেখতে যান। কৃষকের উন্নয়ন ও ফসলে সাফল্য আনার জন্য টাওয়ার পদ্ধতি পর্যবেক্ষন করেন।
এ সময় টাওয়ার পদ্ধতি সুফল তুলে ধরেন এ্যাডরা বাংলাদেশের কৃষি সুপারভাইজার মো. ইসমাইল হোসেন। তিনি জানান, এ প্রযুক্তির মাধ্যমে বন্যা কবলিক বা বর্ষা মৌসুমে কৃষকরা পানিতেই সবজি চাষ করছেন ময়মনসিংহের গৌরীপুরে। এ বর্ষা মৌসুমে পরিক্ষামূলকভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে লাভবান হয়েছেন ১৭৬জন কৃষক।
পরীক্ষামূলক এ প্রকল্পে সফলতা আসায় এবার তা সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে ফলদ বৃক্ষ মেলায় এই টাওয়ার পদ্ধতি প্রদর্শিত হচ্ছে। পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টাওয়ারও উপরে উঠে যায়। পানি বাড়লেও ফসলের কোন ক্ষতি হবে না বলে জানান এ্যাডরা বাংলাদেশ গৌরীপুরের কৃষি সুপারভাইজার মো. ইসমাইল হোসেন। তিনি জানান, উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের ধুরুয়া, গৌরীপুর ইউনিয়নের বেকারকান্দা, সূর্য্যাকোনা ও মইলাকান্দা ইউনিয়নের কাউরাট গ্রামে যেসব স্থানে দীর্ঘদিন পানি জমে থাকে, সেসব এলাকায় এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এ সংস্থার সিডিও তন্ময় রায় বলেন, ক্ষেতের আইলের পর এবার টাওয়ার পদ্ধতিও গৌরীপুরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। উপজেলা কৃষি অফিসার লুৎফুন্নাহার বলেন, কৃষককে নূতন ফসলের স্বপ্ন দেখাবো ‘টাওয়ার’। এ পদ্ধতি ছড়িয়ে গেলে পরিত্যক্ত জমিতে অতিরিক্ত ফসলও উৎপাদন হবে।
কাউরাট গ্রামের কৃষক বিরেন শর্মা জানান, অসময়ে ফসল তোলার পদ্ধতিই হলো ‘টাওয়ার’। চারদিকে পানি মাঝখানে আমার সবুজ ফসল। এ দিকে গৌরীপুর ইউনিয়নের সফল দু’কৃষকের নাম জহিরুল ইসলাম ও আবুল হাসেম। তারা জানান, এ প্রযুক্তি তাদেরকে দুর্যোগেও ফসল উৎপাদনের সাহস দিয়েছে। জলবায় সহিষ্ণু চাষাবাদ পদ্ধতি’র আওতায় তাদের আবিস্কার এখন ‘টাওয়ার’ পদ্ধতি।
এ্যাডরা বাংলাদেশের প্রকল্প সমন্বয়কারী বাবুল সি গোমেজ বলেন, এ পদ্ধতি ব্যবহারের কৃষককে শুধুমাত্র কিছু পলিথিন কিনতে হয়। বাঁশ, কাঠ আর বস্তাসহ অন্যান্য উপকরণ কৃষকের বাড়িতেই রয়েছে। তাই স্বপ্ন ব্যয়ে অধিক ফসলের জন্য টাওয়ার পদ্ধতি জনপ্রিয়। সিডিও শিখা দেবনাথ জানান, বড় ড্রামেও এ পদ্ধতিতে ভাসমান সবজি চাষ করা যেতে পারে। পানি হলেও কৃষকের দুঃচিন্তা থাকবে না।
টাওয়ার দেখতে গেলেন গৌরীপুরের ইউএনও ফারহানা করিম
স্টাফ রির্পোটার :
মেলা মানেই কৃষকের উৎসব, নূতন প্রযুক্তির বিনিময়। একজন কৃষকও নূতন পদ্ধতি বা প্রযুক্তি নিয়ে এ মেলায় প্রদর্শন করতে পারেন। সেই প্রযুক্তি সকল কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দেয়াই হলো মেলার উদ্দেশ্য। বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর/১৮) ৩দিনব্যাপী মেলার সমাপনি দিনে পরিদর্শনে এসব কথা বলেন। অনলাইন পোর্টাল দৈনিক বাহাদুর পত্রিকায় পানিতে সবজি চাষের নূতন এক পদ্ধতির নাম ‘টাওয়ার’। এ খবর দেখেই তিনি, টাওয়ার দেখতে যান। কৃষকের উন্নয়ন ও ফসলে সাফল্য আনার জন্য টাওয়ার পদ্ধতি পর্যবেক্ষন করেন।
এ সময় টাওয়ার পদ্ধতি সুফল তুলে ধরেন এ্যাডরা বাংলাদেশের কৃষি সুপারভাইজার মো. ইসমাইল হোসেন। তিনি জানান, এ প্রযুক্তির মাধ্যমে বন্যা কবলিক বা বর্ষা মৌসুমে কৃষকরা পানিতেই সবজি চাষ করছেন ময়মনসিংহের গৌরীপুরে। এ বর্ষা মৌসুমে পরিক্ষামূলকভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে লাভবান হয়েছেন ১৭৬জন কৃষক।
পরীক্ষামূলক এ প্রকল্পে সফলতা আসায় এবার তা সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে ফলদ বৃক্ষ মেলায় এই টাওয়ার পদ্ধতি প্রদর্শিত হচ্ছে। পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টাওয়ারও উপরে উঠে যায়। পানি বাড়লেও ফসলের কোন ক্ষতি হবে না বলে জানান এ্যাডরা বাংলাদেশ গৌরীপুরের কৃষি সুপারভাইজার মো. ইসমাইল হোসেন। তিনি জানান, উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের ধুরুয়া, গৌরীপুর ইউনিয়নের বেকারকান্দা, সূর্য্যাকোনা ও মইলাকান্দা ইউনিয়নের কাউরাট গ্রামে যেসব স্থানে দীর্ঘদিন পানি জমে থাকে, সেসব এলাকায় এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এ সংস্থার সিডিও তন্ময় রায় বলেন, ক্ষেতের আইলের পর এবার টাওয়ার পদ্ধতিও গৌরীপুরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। উপজেলা কৃষি অফিসার লুৎফুন্নাহার বলেন, কৃষককে নূতন ফসলের স্বপ্ন দেখাবো ‘টাওয়ার’। এ পদ্ধতি ছড়িয়ে গেলে পরিত্যক্ত জমিতে অতিরিক্ত ফসলও উৎপাদন হবে।
কাউরাট গ্রামের কৃষক বিরেন শর্মা জানান, অসময়ে ফসল তোলার পদ্ধতিই হলো ‘টাওয়ার’। চারদিকে পানি মাঝখানে আমার সবুজ ফসল। এ দিকে গৌরীপুর ইউনিয়নের সফল দু’কৃষকের নাম জহিরুল ইসলাম ও আবুল হাসেম। তারা জানান, এ প্রযুক্তি তাদেরকে দুর্যোগেও ফসল উৎপাদনের সাহস দিয়েছে। জলবায় সহিষ্ণু চাষাবাদ পদ্ধতি’র আওতায় তাদের আবিস্কার এখন ‘টাওয়ার’ পদ্ধতি।
এ্যাডরা বাংলাদেশের প্রকল্প সমন্বয়কারী বাবুল সি গোমেজ বলেন, এ পদ্ধতি ব্যবহারের কৃষককে শুধুমাত্র কিছু পলিথিন কিনতে হয়। বাঁশ, কাঠ আর বস্তাসহ অন্যান্য উপকরণ কৃষকের বাড়িতেই রয়েছে। তাই স্বপ্ন ব্যয়ে অধিক ফসলের জন্য টাওয়ার পদ্ধতি জনপ্রিয়। সিডিও শিখা দেবনাথ জানান, বড় ড্রামেও এ পদ্ধতিতে ভাসমান সবজি চাষ করা যেতে পারে। পানি হলেও কৃষকের দুঃচিন্তা থাকবে না।

Print Friendly, PDF & Email