Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

গফরগাওয়ে স্কুল ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যাকান্ডের অন্যতম আসামী আহাদ ডিবি’র অভিযানে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার ॥ আদালতে স্বিকারোক্তি

আপডেটঃ 2:34 pm | September 22, 2018

স্টাফ রিপোর্টার ॥

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে স্কুল ছাত্র রিয়াদ হত্যাকান্ডের ঘটনায় আহাদ নামের এক ঘাতককে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার রাতে নারায়ণগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক বিজ্ঞাসাবাদে আহাদ হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বিকার বলে পুলিশ জানায়। পরে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হলে সে হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কতা স্বিকার এবং অন্যান্যদের নাম প্রকাশ করে আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, গত ৩০ আগষ্ট গফরগাও উপজেলার সৌদি প্রবাসী শাহীনের ছেলে স্কুল ছাত্র রিয়াদকে সকালে উপজেলার উথুরী-ঘাগড়া টাওয়ার মোড় বাজার এলাকায় গাছের সাথে বেধে পিটিয়ে হত্যা করে। সে ঘাগড়া-উথুরী-ছিপান উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্র।
উথুরী-ঘাগড়া টাওয়ার মোড় বাজারের আশরাফুলের মনিহারী দোকানের ‘তালা ভাঙার চেষ্টার অপরাধ জনিত অজুহাত তুলে স্কুল ছাত্র রিয়াদকে ব্যবসায়ী আশরাফুল,ভাই কামরুল এবং প্রতিবেশি রশিদ আটক করে। পরে আশরাফুল তার সহযোগীদের নিয়ে রিয়াদকে বাজারের পাশের একটি গাছের সাথে বেঁেধ বেধড়ক পেটায়। এ ঘটনায় নিহতের আত্বীয় রাজ্জাক ৯ জনের নামে গফরগাও থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আওয়ামীলীগ নেতা আঃ রশিদ, ব্যবসায়ী সাঈদ, সিরাজ, আঃ আহাদ, আশরাফুল, মীর রাসেল,মীর মনির, কামরুল, সোহেলসহ আরো অজ্ঞাত ৭/৮ জনকে আসামী করা হয়েছে।


স্থানীয়বাসি ও পুলিশ জানায়, চোর সন্দেহে ১৪ বছরের কিশোর রিয়াদকে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা রশিদের নেতৃত্বে নির্মম ও পৈশাচিকভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় বিক্ষুব্দ এলাকাবাসী ঘাতকচক্রের সর্ব্বোচ্য শাস্তি দাবী করেছেন। এ ঘটনায় গফরগাঁও থানা পুলিশ ব্যবসায়ী কাজিম উদ্দিন ও রফিকুল নামের দুইজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদশেষে ছেড়ে দেয়।
এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত কোন আসামীকে গফরগাও থানা পুলিশ ১৫ দিনেরও বেশী সময়ে গ্রেফতার করতে পারেনি। এ নিয়ে নানা আলোচনার ঝড় বইতে থাকলে পুলিশ সুপারের নির্দেশে আলোচিত এ মামলাটি গত ১৭ সেপ্টেম্বর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। ডিবির এসআই আক্রাম হোসেনকে মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়। ডিবি পুলিশের ওসি শাহ কামাল আকন্দের পরিকল্পনায় এলআইসি বিভাগের সহায়তায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আক্রাম হোসেন ঘটনার সাথে জড়িত ও এজাহার নামীয় আসামী আহাদকে নারায়ণগঞ্জ থেকে থেকে গ্রেফতার করে।
এসআই আক্রাম জানান, গ্রেফতারকৃত আাহাদ হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা পুলিশী জিজ্ঞাসাবাদে স্কিকার করেছে। এছাড়া বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে প্রেরণ করা হলে সে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বিকার এবং অন্যান্যদের আসামীদের নাম প্রকাশ করে। অন্যান্য আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারে সর্বাত্ব্ক চেষ্ঠা চলছে বলে ওসি শাহ কামাল জানান।

Print Friendly, PDF & Email