Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

পুরাণে বেঁধেছি নতুন প্রাণ || রেবেকা সুলতানা

March 31, 2019

নয় ভাইবোনের সংসারে বেড়ে উঠা এই আমিটা কত না রঙিন স্বপ্ন দেখতাম। আত্মকেন্দ্রিকতায় ভরা স্বপ্নগুলোর মধ্যে ছিল- কখনও আমি ডাক্তার হতে চাইতাম। সাদা এপ্রোনে বেশ মানানসই লাগবে আমাকে ভেবে কি যে পুলকিত হতাম! আবার কখনো সিনেমার গল্পে দেখে তাদের মতোই ব্যারিস্টার হতে চাইতাম। কালো কোট আর কালো গাউন পরা ব্যারিস্টার আমি হবোই হবো। কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিত নম্বর কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের বারান্দায় হাটতে দিলোনা। তাতে কি স্বপ্ন দেখাই ছেড়ে দিবো? আবার অন্য ইচ্ছা ভর করলো। এইবার আমি হয় এডমিনিস্ট্রেটর নয় শিক্ষক হয়েই ছাড়বো। অবশেষে ক্যারিয়ার গড়ার মাঝপথে নিজের জীবন বেধে নিলাম অন্য জীবনের সাথে পরিবারের সাধে। বাহ! এতো অন্য জগত! স্বপ্ন আবার বাক নিলো অন্য রাস্তায়। নতুন জীবন একদিকে অন্যদিকে ভাই বোন সব নিয়ে রকমারি সংসারে অভ্যস্ততা, আর রকমারি স্বপ্ন। সময় পার করে ফুটফুটে তিন সন্তানের মা হলাম একে...

মায়ের স্বপ্ন বিয়ে দেয়ার, মেয়ের স্বপ্ন শিক্ষক হওয়ার

March 23, 2019

বাহাদুর ডেস্ক: মেয়েটির বয়স ষোলো কি সতেরো। সে একজন বাকপ্রতিবন্ধী। নিজের মনের অনুভূতি মুখের ভাষায় প্রকাশ করতে পারে না। ইশারা-ইঙ্গিতে কথা বোঝানোর চেষ্টা করে। কখনো আবার হাতে লিখে। তবে বিশেষ গুণ হলো- সে অনেক বিষয় খুব সহজেই আয়ত্ত করতে পারে। অভাব-অনটনের সঙ্গে যুদ্ধ করে প্রতিবন্ধীদের বিশেষ স্কুলে না পড়েও ২০১৮ সালে দাখিল (এসএসসি সমমান) পাশ করেছে। বর্তমানে উপজেলার ইসলামাবাদ সিনিয়র মাদরাসা আলিম শ্রেণিতে প্রথম বর্ষে অধ্যয়ন করছে। বলছিলাম গৌরীপুর উপজেলার লামাপাড়া গ্রামের মেয়ে সালমা আক্তারের কথা। সালমা আক্তারের বাড়ি উপজেলার মইলাকান্দা ইউনিয়নের লামাপাড়া গ্রামে। বাবা মৃত আবুল কাশেম। মা মমিনা খাতুন। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে সালমা সবার ছোট। সে ২০১২ সালে লামাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সমাপনী, ২০১৫ সালে লামাপাড়া বালিকা দাখিল মাদরাসা থেকে জেডিসি ও ২০১৮ সালে...

গরিবের স্বপ্ন অতো সহজে পূরণ হয় না

March 16, 2019

বাহাদুর ডেস্ক: ‘মাইনষ্যের কত কিছু করার স্বপ্ন থাকে। ব্যবসা-বাণিজ্য, গাড়ি-বাড়ি, টেকা-পয়সা বাড়ানো আরও কত কি। তয় আমার স্বপ আছিন বাড়িতে একটা টিনের ঘর করার। কিন্তু চা, পান, সিগারেট বেইচ্যা যে টেকা কামাই করি সবডা সংসারের পিছে লাইগ্যা পড়ে। ঘর করার টেকা আর জমাইতে পারি না। কয়েক বৎস্যর আগে চেয়ারম্যান-মেম্বারের কাছে সরকারি একটা ঘর চাইছিলাম। কইছে কইর‌্যা দেবে। কিন্তু পরে আর দেয় নাই। বুজলেন মিয়া ভাই, গরিবের স্বপ্ন অতো সহজে পূরণ হয় না। তয় অহন চেষ্টায় আছি গেরামে একটা চায়ের দোকান দিবার। কেরে জানি হেইডার টেকাও জমাইতে পারতাছি না।’ এ প্রতিনিধির সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে কথাগুলো বলছিলেন ভ্রাম্যমাণ হকার তোতা মিয়া (৫৫)। তার বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরীপুরের রামগোপালপুর ইউনিয়নের নওয়াগাও গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত মল্লিক মিয়ার ছেলে। জীবিকার তাগিদে শহরের অলি-গলিতে ঘুরে ঘুরে চা,...

মনোজগৎ! উত্থান-পতনের আত্মউপলব্ধি- আল ইমরান মুক্তা

February 20, 2019

জীবনের পরতে পরতে তিক্ত অভিজ্ঞতার সঞ্চয়। যখন বুঝতে পারবেন, পৃথিবীতে বেঁচে থাকা মূলহীন। তখন জীবনটা বিষাদময় মনে হবে। কল্পনার জগতে কত-শত প্রশ্নের উদয় হবে। একবার ভাববেন, অপরাধী হয়ে বেঁচে থেকে কি লাভ! এর চেয়ে মৃত্যুর সাথে আলিঙ্গন করাই শ্রেয়। আবার পরক্ষণেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হতে পারে। আপনমনে বলতে পারেন, বাঁচতে হবে। একই সাথে উপলব্ধি করতে পারেন, নিজের অবস্থার মান উন্নয়ন করা উচিত। প্রবাদ আছে, "মিষ্টি কথায় চিড়ে ভিজে না।" এটা অবশ্যই মনে রাখবেন, মানুষের সাথে যতই সদ্ব্যবহার করুন না কেন, আপনার অর্থিক অপ্রাচুর্য সব জৌলস ফিকে করে দিবে। এর জন্য লজ্জা পেতে হয়। আপমান সইতে হয়। আপনি নির্লজ্জ হলে হয়তো প্রতিবাদ করবেন। আর এর বিপরীত হলে কিছু বলতে পারবেন না। একটি কথা আছে, "না পারি কইতে, না পারি সইতে।" নিয়তি আপনার সাথে এমন কেন করলো? তাই বলে কি হেরে যাবেন? তা কখনও হতে পারে না। আপনাকে জয়ী...

রম্য লেখক ও শিশু সাহিত্যিক সত্যজিৎ বিশ্বাসের বইগুলি ||

February 05, 2019

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি: চাকরির পাশাপাশি প্রিয় লেখক ও স্বনামধন্য মানুষদের সাথে যাত্রা, আয়ত্বে নেওয়া সেই মানুষগুলোর গুণ ও গুণাবলি| একটু একটু লেখা পাঠিয়ে দেই দেশের সব পত্রিকায়, কতৃপক্ষও সেগুলো সিলেক্ট করে ছাপিয়ে দেয় | একটু লেখার নেশা থেকে আজ অনেক গুলো বইয়েরই লেখক হয়ে যাওয়া |"মোবাইল নয়, বই যেন হয় শিশুদের বিকাশের মাধ্যম" এই মন মানসিকতা নিয়েই এবারের বই মেলায় শিশুদের উপযোগী বই আনা- বলছিলেন রম্য লেখক ও শিশু সাহিত্যিক সত্যজিৎ বিশ্বাস| সত্যজিৎ বিশ্বাসের জম্ম ১লা মার্চ, ১৯৭৪, ময়মনসিংহে | অমর একুশে বই মেলায় সত্যজিৎ বিশ্বাসের আমরা সবাই রাজা, আমি পারবো, ইরেজার ভূত, গল্পগুলো রম্য নামে একক বই ইতিমধ্যে একুশে বইমেলার বিভিন্ন প্রকাশনার স্টলে স্থান পেয়েছে| উল্লেখযোগ্য বইগুলো নিয়েই ধারাবাহিক প্রতিবেদন রম্য লেখকের বইগুলো : আমরা সবাই রাজা। --- আমাদের শৈশব কেটেছে অত্যন্ত আনন্দে।...

চিঠি আসে ই-মেইলে, পোস্টমাস্টার আটকা ‘৮৫’তে

October 09, 2018

রাকিবুল ইসলাম রাকিব: ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার শাখা ডাকঘরগুলো নানা সমস্যায় জর্জরিত। পাকা ভবন থাকলেও কিছু ডাকঘরে নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। সৌরবিদ্যুৎ থাকলেও রয়েছে বেশিরভাগেরই যান্ত্রিক ত্রুটি। ই-ডাক সেবার সাইনবোর্ড থাকলেও অধিকাংশ ডাকঘরে মিলছে না সেই সেবা। লোকবল সংকট থাকায় অনেক ডাকঘরের পোস্টমাস্টারকেই পিয়নের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এই দিনেও শাখা ডাকঘরের একজন পোস্ট মাস্টার প্রতি মাসে ২৫৫০ টাকা বেতন পান, যা দৈনিক ভিত্তিতে দাঁড়ায় মাত্র ৮৫ টাকা। একাধিক পোস্ট মাস্টারের অভিযোগ, প্রতি মাসে ডাকঘরে অফিস খরচ দেয়া হয় মাত্র ১৩ টাকা। এখানে কর্মরত কর্মচারীরা কোনো উৎসব ভাতা পায় না। যে টাকা বেতন দেয়া হয় সেটা দিয়ে সংসার চলে না। সরকারের পক্ষ থেকে ডাক বিভাগের ভাগ্য উন্নয়নে বহুবার প্রতিশ্রুতি মিলেছে। তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। গৌরীপুর উপজেলা ডাকঘর সূত্রে জানা গেছে...

আজ বাবা নেই-স্মৃতিপাতায় আমার বাবা-মোঃ রইছ উদ্দিন

September 18, 2018

বাবা। শব্দটা কঠিন হয়ে গেলো। স্মৃতিপাতায় এখন জন্মদাতার সংলাপগুলো জমে আছে। সাদা দাঁড়িতে স্পর্শ করার সেই বাবা; আজ নেই। চলে গেছেন গত ১০ সেপ্টেম্বর/১৮, সোমবার। দিনভর সবাইকে হাঁসালেন। হাঁসির মানুষগুলোকে কাঁদিয়ে রাত ১১টা ২০মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্নালিল্লাহে ....রাজিউন। মুঠোফোনে আজ আর সেই রিংটোন বাজে না। বাবা লিখা শব্দটাও ভেসে উঠে না। বাবা ছিলেন, সবসময় হৃদয়ের কাছে, জীবনের পাশে। বাবা নামের সেই বটতলার ছায়াতলে ছিলাম। তখন বুঝি নাই। তাই বাবাকে বাবা হিসাবে যা করার হয়তো সেইটুকু করতে পারি নাই। আজ আপসোস লাগে, কেন? বাবাকে জড়িয়ে আরও কিছু সময় থাকতে পারলাম না। এতো ব্যস্ত; সেই ব্যস্ততা আজ কোথায় লুকিয়ে গেলো, ৯দিন তো চলে গেলো হিসাবের জীবন খাতা থেকে, বাবাকে জড়িয়ে ধরতে পারছি না, তারপরেও সময়তো থেমে নেই। চলে যাচ্ছে। রিস্কা থেকে নেমে ধীর পায়ে এসে সেই চেয়ারটায় আর কোনদিন বসতে...

১৫০ হলে নিশ্চিত ‘ক্যাপ্টেন খান’

August 20, 2018

বাহাদুর ডেস্ক: শাকিব খানের ছবি মানেই তো হলে হলে ঈদ। যদিও ঈদ ছাড়াও এ নায়কের ছবি মুক্তি পেলে প্রেক্ষাগৃহে উৎসবের আমেজ লেগে যায়। আর উৎসবে মুক্তি পেলে তো কোন কথাই নেই। এবারের ঈদুল আজহায় মুক্তি পাচ্ছে ‘ক্যাপ্টেন খান’। ছবিটিতে শাকিব খানের নায়িকা হিসেবে রয়েছেন শবনম বুবলী। ওয়াজেদ আলী সুমন পরিচালিত ছবিটি রবিবার সেন্সর ছাড়পাত্র পেয়েছে। হল মালিকরা তাই কোন শংকা ছাড়াই বুকিং দিচ্ছেন ক্যাপ্টেন খানের। যদিও প্রযোজনা সংস্থা জানিয়েছে গত ঈদুল ফিতরের পর থেকেই ছবিটির বুকিং নেয়া শুরু হয়েছে। তবে সেন্সরের পর ছবিটি এখন নিশ্চিতভাবেই নিতে পারছেন হল মালিকরা। ‘ক্যাপ্টেন খান’এখন পর্যন্ত মোট ১৫০ হলের জন্য বুকিং নিশ্চিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ছবিটির পরিচালক ওয়াজেদ আলী সুমন। আগামীকালের মধ্যে হলের সখ্যা আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন তিনি। ছবিটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শান্ত এন্টারপ্রাইজের...

পানিহাটা-তারানি পাহাড়, যেখানে মেঘের লুকোচুরি

July 29, 2018

বাহাদুর ডেস্ক: প্রকৃতিপ্রেমীদের প্রতিনিয়ত আকর্ষণ করে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকার অপরূপা পানিহাটা-তারানি পাহাড়। মেঘ-পাহাড়ের লুকোচুরির দৃশ্য যে কোনো প্রকৃতিপ্রেমীর মনকে কাছে টানবে এই পানিহাতা-তারানি পাহাড়। আর তাই ওই পানিহাটা-তারানী পাহাড়ি এলাকা হয়ে উঠতে পারে আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে। পানিহাটা নামের স্থানটির একটা অংশে রয়েছে তারানি গ্রামের পাহাড়। পাহাড়ের কোল ঘেষে ছুটে গেছে পাহাড়ি নদী। ফলে পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ওই নদীর পানি আর মেঘ-রোদ্দুর যেন খেলা করে। পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়ালেই দেখতে পাবেন উত্তরে ভারতের তুরা পাহাড়কে আবছা আবরণে ঢেকে আছে মেঘ-কুয়াশা। দূরের টিলাগুলো মেঘের সাথে লুকোচুরি খেলছে যেন। তুরার অববাহিকা থেকে সামনে সোজা এসে পশ্চিমে চলে গেছে পাহাড়ি নদী ভোগাই। নদীর একপাশে শত ফুট উঁচু দাঁড়িয়ে...

যে উৎসবের আকর্ষণ মানুষ-ষাঁড়ের যুদ্ধ!

July 07, 2018

বাহাদুর ডেস্ক: স্পেনের উত্তরাঞ্চলের শহর প্যামপ্লোনাতে প্রত্যেক বছর আয়োজন করা হয় ‘সান ফার্মিন’ উৎসব। স্পেনের ঐতিহ্যবাহী উৎসবটি উপভোগ করতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অসংখ্য পর্যটক প্যামপ্লোনা শহরে পাড়ি জমান। উৎসবটি মূলত ষাঁড় দৌড়ের কারণে পৃথিবী বিখ্যাত। উৎসবের শুরুর দিন সকালে ষাঁড় দৌড়ের মাধ্যমে এ উৎসব শুরু হয়। প্যামপ্লোনার সরু রাস্তায় অনেকগুলো ষাঁড়কে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেই রাস্তায় অনেক মানুষও থাকে। শুরু হয় দৌড়। ষাঁড় ও মানুষ একইসঙ্গে দৌড়াতে থাকে। অনেকে আহতও হন এ দৌড়ে। এরপর এ ষাঁড়গুলো একটি খেলার মাঠে প্রবেশ করে। যেখানে সন্ধ্যায় শুরু হয় ‘বুলফাইট’। ‘বুলফাইটে’ ষাঁড়ের সঙ্গে মানুষের লড়াই হয়। ‘বুলফাইট’ আর ষাঁড় দৌড়ই সান ফার্মিন উৎসবের প্রধান আকর্ষণ।  উৎসবের শুরুর দিন আতশবাজিও হয়। আতশবাজিটির স্থানীয় নাম ‘চুপিয়ানজো’। ষাঁড় দৌড় কিংবা ‘বুলফাইটে’র মতো ‘চুপিয়ানজো’ও...