Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

| |

ময়মনসিংহে অনসাম্বল থিয়েটারের আয়োজনে পুতুল নাট্য কর্মশালা

May 25, 2019

রেবেকা সুলতানা: বাংলার হাজার বছরের নাট্যকলা ইতিহাস অনুসন্ধানের ধারায় ‘পুতুল নাট্য’ আদি ও ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করে। এমনও বলা হয়ে থাকে যে, সকল অভিনয়কলায় আদিতে ছিল পুতুল নাট্য। খ্রীস্টপূর্ব ৪র্থ শতকে প্লবক, কুহক প্রভৃতি ভ্রাম্যমান আনন্দ বিনোদনকারী সম্প্রদায় পুতুল নাচিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো বলে কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। নাটক জীবন বোধ জাগিয়ে তুলে, নাটক অন্তর্নিহিত সত্তাকে জাগিয়ে তুলে। পুতুল নাট্য নাটকের নানান দিকের একটি বিশেষ শাখা। কালের আবর্তে পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রভাবে আবহমান বাংলার এই চমৎকার শিল্প বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে। আর সেই সময় ময়মনসিংহের অন্যতম সাংস্কৃতিক প্লাটফর্ম অনসাম্বল থিয়েটারের আয়োজনে চলছে পুতুল নাট্য বিষয়ক চমৎকার একটি কর্মশালা। ময়মনসিংহ কাচারীঘাটে অনসাম্বল থিয়েটারের আয়োজনে পুতুল নাট্য কর্মশালাটি চলবে ২৮ মে পর্যন্ত।...

মুক্তি || ইমন সরকার

May 23, 2019

কি চাই? সংগ্রাম চাই, নিয়ত সংগ্রাম- শোষণের বিরুদ্ধে বঞ্চনার বিরুদ্ধে অত্যাচারের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রাম। ধনীর জৌলুসের পাশে ক্ষুধার্ত দুনিয়া- ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা গুনে আধিপত্যের রসায়ন- লাভের অংক কষে চাকুরের সেবা দান- মধ্যষত্ব নিয়ে কৃষকের ঘাম শোষে হওয়া ধনবান সম্রাট- এই ব্যবধানের দুনিয়া চাইনা। এ দেয়াল ভাঙতে চাই। ক্ষমতার দাপটে লুটতরাজের রোজনামচা- মাদকের ছোবলে খেয়ে দেয়া ভবিষ্যত- স্বার্থের খসড়া খাতায় আকড়ে ধরা বর্তমান- মিথ্যাচারের সংলাপে ঘেরা নাট্যমঞ্চে অতীতকাল- একদম চাইনা, চাইনা, চাইনা। সংগ্রাম চাই, শোষকের বিরুদ্ধে সংগ্রাম। মানুষের সমাজে অমানুষের বসবাস- নিপীড়িতের সীমানায় নিপীড়কের হুংকার- ধর্ষকের আগুনে ধর্ষিতার চিৎকার- দামহীন ফসলে লুটেরার হাসিমুখ- ব্যবধানের পৃথিবী, স্বার্থের রাফখাতায় রোজকার অংক- চাইনা-চাইনা-চাইনা! ব্যবধানের এ সমাজ ভাঙতে চাই। কি...

মাতৃকাহন || রেবেকা সুলতানা

May 12, 2019

আমি আর আমার মা, আমাদের কাহন শোনার সাথী আমরাই। অনেক গভীরভাবে আমার মা কে নিয়ে ভেবে কিছু একটা লিখবো ভাবি। কিন্তু এ মানুষটির এতো এতো কাহন যে আমি তাদের আর গাথুনি দিতে পারিনা। সন্তান হিসেবে এ আমার আজন্ম ব্যর্থতা। আমি আমার মায়ের বড় মেয়ে। সংসারের কাজে সবচেয়ে বড় সাথী আমিই ছিলাম। অনুজ সব কয়টা ভাই বোন তো আমার কোলেই ঝুলেছিল মায়ের পরে। তেরোটি সন্তানের জননী আমার রত্নগর্ভা উপাধি পাওয়া মা। যদিও পৃথিবীর আলোতে বেড়ে উঠেছি আমরা নয়জন। আমি অবাক হই কিভাবে সম্ভব একটি মানুষ তার বাড়ির কাজ সামলে, সংসারের সভ দায়িত্ব সামলে, অভাব অনটন ঘুচিয়ে এই নিয়জনের ক্যাচর ম্যাচর সহ্য করা? নয় সন্তানের এই জননী খুবই সিদ্ধহস্ত ছিলেন সন্তান মানুষ করার ক্ষেত্রে। ব্যক্তিজীবনে আমি হয়তো ততোটা সফল নই কিন্তু যতোদিন মায়ের আচলে ছিলাম কড়া শাসনেই রেখেছেন তিনি। শাসনে কোন ছাড় ছিলোনা আমার মায়ের। মার দেয়ার ব্যাপারে...

কি অদ্ভুত আমার মা || ইমন সরকার

May 12, 2019

না না, আমি মা দিবসে মা নিয়ে আবেগ ঝাড়ছিনা। তবু মা দিবস তো একটা উপলক্ষ যখন মা কে নিয়ে কিছুটা অনুভব করার সুযোগ হয়। নয়তো স্বার্থের পৃথিবীতে মা কে নিয়ে ভাবার সময় খোজার সময় কই? আজ মা দিবস, মা দিবসে সকল মায়েদের প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। সব মেয়েদের নাম তো এক - মা! তবু পৃথিবীতে কতো রকমের মা আছে তাইনা? সেকেলে মা, আনস্মার্ট মা, স্মার্ট মা, কর্মজীবী মা, বেকার মা, অত্যাচারিত মা, বিধবা মা, ডিভোর্সি মা, অত্যাচারী মা, নিপীড়িত মা! এতো এতো সামাজিক নামাঙ্কিত স্তরের মাঝে যতো মা আছে তারা সবাই শুধুই একটি জায়গায় এক। তারা তাদের সন্তানদের জীবন দিয়ে ভালোবাসে। আমার মা কে কোন প্রকারে ফেলবো তা আমার জানা নেই। তবে সে তো কিছুটা অত্যাচারী বটেই! সংসারের অভাব অনটনে হাল না ছাড়া আমার সংগ্রামী মা। কি অদ্ভুত সে আমি আজও বুঝে উঠিনা! সামান্য কিছু চালের ক্ষুদ ঘরে থাকা অবস্থায় আমার মা দিব্যি হলুদ, তেলে...

সমাজ, সামাজিকতা ও আমি || ইমন সরকার

May 12, 2019

দিন যায় পৃথিবী আমার কাছে চেনা থেকে আরও অচেনা হয়ে উঠে। অচেনা হয় আমার চারপাশ অহর্নিশ। সামান্য হিস্যা মেলাতে মেলাতে বহুদূর চলে যায় সম্পর্কের মূল্যবোধ। আজ আপনার সুবিধা আমি মানছিনা তো আমি খারাপ, কাল আমি পাচ্ছিনা তো আপনি খারাপ। এর মাঝেই যারা নরম, শরম যাদের সভ্যতা তারা সবসময় কোনঠাসা। ছোটবেলা ঠাকুমার মুখে শুনতাম - শয়তানের পাল্লা ভাড়ি হয়। প্রকৃতিগতভাবেই দুনিয়ায় বহু ধরনের লোক। আমার এক স্যার বলতেন - দুনিয়ায় কিছু শয়তান জন্মায় আর তারা ছলে বলে অন্যদের উপর ভর করে তাদেরও শয়তান বানিয়ে দেয়। আমি প্রকৃতির এই কঠিন নিয়মের কাছে হেরে যাই। মানুষকে বড্ড মানুষের চোখে দেখার ইচ্ছা ছিল আমার। অন্তরে এক লালন করে উপরে অন্য কথা বলা মানুষগুলোর জীবনে কি মর্যাদা তা আমি জানিনা। জেনে বুঝে শয়তানির সাথে তাল দেয়ার অর্থও আমার জানা নাই। আমি বড় বেমানান এসব হিসেবী আদবকেতায়। একজন বাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে...

পুরাণে বেঁধেছি নতুন প্রাণ || রেবেকা সুলতানা

March 31, 2019

নয় ভাইবোনের সংসারে বেড়ে উঠা এই আমিটা কত না রঙিন স্বপ্ন দেখতাম। আত্মকেন্দ্রিকতায় ভরা স্বপ্নগুলোর মধ্যে ছিল- কখনও আমি ডাক্তার হতে চাইতাম। সাদা এপ্রোনে বেশ মানানসই লাগবে আমাকে ভেবে কি যে পুলকিত হতাম! আবার কখনো সিনেমার গল্পে দেখে তাদের মতোই ব্যারিস্টার হতে চাইতাম। কালো কোট আর কালো গাউন পরা ব্যারিস্টার আমি হবোই হবো। কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিত নম্বর কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের বারান্দায় হাটতে দিলোনা। তাতে কি স্বপ্ন দেখাই ছেড়ে দিবো? আবার অন্য ইচ্ছা ভর করলো। এইবার আমি হয় এডমিনিস্ট্রেটর নয় শিক্ষক হয়েই ছাড়বো। অবশেষে ক্যারিয়ার গড়ার মাঝপথে নিজের জীবন বেধে নিলাম অন্য জীবনের সাথে পরিবারের সাধে। বাহ! এতো অন্য জগত! স্বপ্ন আবার বাক নিলো অন্য রাস্তায়। নতুন জীবন একদিকে অন্যদিকে ভাই বোন সব নিয়ে রকমারি সংসারে অভ্যস্ততা, আর রকমারি স্বপ্ন। সময় পার করে ফুটফুটে তিন সন্তানের মা হলাম একে...

“আবোল তাবোল কথকতা! ছেলে জিতলে জিতে যায় মা!” -রেবেকা সুলতানা

March 29, 2019

টিভিতে এড দেখছিলাম - "আমি জিতলে জিতে যায় মা!" মনে হলো কি দারুন সত্যি কথাটি বিজ্ঞাপনে যুক্ত হয়েছে | সত্যিই তো সন্তান জিতলে জিতে যায় মা! ঠিক একইভাবে সন্তান হাসলে মা হাসে, সন্তান কাদলে মা কাদে!! আমার ছোট ছেলে জাহিন তার থিয়েটারের গুরু মুনসুর ভাই এর সাথে বরিশাল, পটুয়াখালি ও কুয়াকাটা ভ্রমনে যায়। ওহ মুনসুর ভাই? অনসাম্বল থিয়েটারের কর্নধার | যাওয়ার দিন জাহিন স্কুলে ছিল। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়া আমার ছোট্র বাচ্চাটি জানতোনা স্কুল থেকে ফিরতে না ফিরতেই তাকে রওনা করতে হবে ভ্রমনে। তার মঞ্চপ্রিয় গুরু ফোন করে বললেন জাহিন কে নিয়ে ট্যুরে যাব তাকে রেডি করুন | আমরা ঠিক তিনটায় রওনা করবো। ভাবলাম মায়ের নিত্য অফিস আর বাবার দূরে থাকার ছেলে একলা ঘরে বড় হওয়া ছেলেটা নিশ্চয়ই আনন্দ পাবে। তাই রীতিমতো চ্যালেঞ্জ নিয়ে মুহুর্তে বাজারে ছুটে সমুদ্র স্নান উপযোগী কাপড় চোপড় রেডি করে তাকে স্কুল থেকে আনতে...

নারী বৈষম্য দূরীকরণ ও কিছু প্রশ্ন || মালবিকা পাল

March 12, 2019

নারী বৈষম্য দূরীকরণ, নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য সরকারিভাবে অনেক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এ পদক্ষেপগুলো ফলপ্রসু হয়েছে। কিন্তু সার্বিক দিকে হচ্ছে কি? একজন নারী চাইলেই কি যখন খুশি তখন ঘর থেকে বের হতে পারছে? সে কি যৌন হয়রানির ভয়ে দূরে একা বের হতে পারছে? কর্মস্থলে তাকে কেন বারবার পুরুষের মতোই সে কাজ করতে সক্ষম তা প্রমাণ করতে হয়? নারী কেন নিজের পরিচয়ে পরিচিত হতে পারে না? এ প্রশ্নের উওরগুলো আমরা কখনো খুঁজে দেখি কি? আসলে জন্মলগ্ন থেকে এ বিভেদটা সৃষ্টি হয়। ভাবছেন কিভাবে? যখন একটা শিশুর জন্ম হয় তখন জানতে চায় কি বাবু হইছে! মেয়ে নাকি ছেলে? শিশুটি যখন স্কুলে যায় তখন একদিকে মেয়ে আর অন্যদিকে ছেলেদের বসানো হয়। আমাদের দেশের মেসে, মেয়ে হোস্টেল, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ডুকবার ও বাহিরে যাওয়ার জন্য মেয়েদের নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে | কিন্তু ছেলেদের...

সমাজ ও ধর্মীয় কূপমন্ডুকতা || আল ইমরান মুক্তা

March 09, 2019

আল ইমরান মুক্তা বিশ্বাস সমাজ গড়ার কারিগর। কেননা বিশ্বাস সমাজকে চিত্রায়িত করে। তাই মানুষের বিশ্বাস কেমন এবং কোন ধারায় প্রবাহিত এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ বিশ্বাস মানুষকে সঠিক বা ভুল উভয় পথে পরিচালিত করে। প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব বিশ্বাসের পরিমণ্ডল রয়েছে। বিশ্বাস মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করে। অন্যভাবে বলতে গেলে, মানুষ বিশ্বাসের দাস। বিশ্বাস সব সময় আদর্শিক নাও হতে পারে। কখনও এর ভয়ঙ্কর দিকটি স্বরূপে আসতে পারে। মানুষ যা বিশ্বাস করে তা জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে প্রয়োগে আপ্রাণ চেষ্টা চালায়। বিশ্বাস গড়ে উঠে দুটি দিক থেকে। জ্ঞান কিংবা অজ্ঞতা থেকে। জ্ঞান সুন্দর ও সঠিক বিশ্বাস জাগ্রত করে। কিন্তু অজ্ঞতা, কুসংস্কার ও অন্ধতা বিশ্বাসের টুটি চেপে ধরে। সত্যিকার অর্থে, অজ্ঞতা অন্ধকূপে নিমজ্জিত করে। মানুষকে অন্ধ করে দেয়। মানুষ তখন মিথ্যা বিশ্বাসের প্রতি অনুরাগী হয়ে...

ইনফার্টিলিটি কেস স্টাডি | জেনে নিন বন্ধ্যাত্বের ৩টি বাস্তব ঘটনা!

March 09, 2019

সব পরিবারেরই স্বপ্ন থাকে ঘর আলো করে ফুটফুটে একটি কন্যা বা পুরো বাড়ি তোলপাড় করা এক রাজপুত্র। কিন্তু বাচ্চা কনসিভ করতে ইচ্ছুক অনেক দম্পতিদেরই সঠিক দিক নির্দেশনার অভাবে পড়তে হয় জীবনের নানান বিপর্যয়ের মুখে। একজন ডাক্তার হিসেবে আমি এসকল সমস্যার একজন প্রত্যক্ষদর্শী। অনেকের ধারণা থাকে যে শুধু কম বয়স হলেই বাচ্চা কনসিভ করতে কোন সমস্যা হয় না। অথচ এ ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। যেকোনো বয়সেই বাচ্চা নেবার ক্ষেত্রে যে সমস্যা হতে পারে সেরকমই ৩টি ইনফার্টিলিটি কেস নিয়ে আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। ইনফার্টিলিটি কেস-১ রোগীর নাম তানিয়া (ছদ্দনাম), বয়স ২৯। সে এসেছিল ফলিকুলোমট্রি রিপোর্ট নিয়ে। দেখলাম রিপোর্ট সেই একই অবস্থা, তার ওভারিয়ান ফলিকলগুলো ইনজেকশন দেওয়ার পরেও বড় হয় নি, অর্থাৎ রেজিস্টেন্ট হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন সে পলিসিসটিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS)-এ ভুগছিল, এখন আর...